সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুস সালাম মোল্লা: | শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৬২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
চরভদ্রাসনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পঞ্চম দিনে পদ্মা নদীতে ৮ ই অক্টোবর দিনেও রাতে অভিযান পরিচালনা করে দেড় হাজারের অধিক কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
জানা গেছে, ৩রা অক্টোবর রাত ১২টা হতে ২২ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য জলসীমা ও নদীতে সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক ইলিশসহ সকল প্রজাতির মৎস্য আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয় বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে। রাষ্ট্রপতির আদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মৎস শাখা২এর উপসচিব সাইদা আক্তার পরাগ ২৪শে সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরে ২২ দিন মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব মোল্লা এমদাদুল্ল্যাহএর দিকনির্দেশনা এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রশান্ত কুমার সরকার, তত্ত্বাবধানে চরভদ্রাসন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, নদীতে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়।
দিন ও রাতের অভিযানে ১৫ হাজার মিটার জাটকা ধরার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয় যা আনুমানিক ৪.৫ লক্ষ টাকা, ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। উক্ত নিষিদ্ধ কারেন্টজাল গুলো বিধিমোতাবেক বিনষ্ট করা হয়।
“মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ৪র্থ দিন ৭ই অক্টোবর রাতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) চরভদ্রসনর থানার চৌকস পুলিশের একটি টিমের মোবাইল কোর্ট অভিযানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো।
এ অভিযানে ৫ হাজার মিটার জাটকা ধরার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয় যা আনুমানিক ১.৫ লক্ষ টাকা, ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয় এবং ৪ জন আসামি ধরা হয়। উক্ত নিষিদ্ধ কারেন্টজাল গুলো বিধিমোতাবেক বিনষ্ট করা হয়। এবং ৪ জন আসামিকে ২ হাজার করে জরিমানা করা হয়। এবং মাছগুলো মাদ্রাসা বন্টন করে দেওয়া হয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com