সিনিয়র রিপোর্টার,আব্দুস সালাম মোল্লা: | রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৮৪ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
চরভদ্রাসন উপজেলা প্রশাসনে ঢিলে_ঢালা অভিযানে দেদারছে মা ইলিশ নিধন হরিরামপুরে চরে হাটবাজার প্রকাশ্য বিক্রি হচ্ছে।
অষ্টম দিনে অভিযান চললেও মাত্র চারদিন অভিযান এর মধ্য সহকারী কমিশনার একদিন এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুন একদিনও নদীতে অভিযানে যাননি।
বাংলাদেশের সামুদ্রিক মৎস্য জলসীমা ও নদীতে সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক ইলিশসহ সকল প্রজাতির মৎস্য আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয় বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে। রাষ্ট্রপতির আদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় মৎস শাখা২এর উপসচিব সাইদা আক্তার পরাগ ২৪শে সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরে ২২ দিন মা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জনাব মোল্লা এমদাদুল্ল্যাহএর দিকনির্দেশনা এবং জেলা মৎস্য কর্মকর্তা কৃষিবিদ প্রশান্ত কুমার সরকার, তত্ত্বাবধানে চরভদ্রাসন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, ২২দিন নিষিদ্ধের মধ্য অষ্টম দিন অভিযান মাএ ৪ দিন নদীতে মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালনা করা হয়।
চরভদ্রাসনের হরিরামপুরে চরের বিভিন্ন হাট বাজারে মৃতমজিদ খান পরিবারের বিভিন্ন ছেলেরা প্রত্যেক জেলেদের কাছ থেকে নিধন কৃত মা ইলিশ উপঢৌকনে প্রকাশ্য মা ইলিশ বেচা কেনাও নির্বিঘ্নে নদীতে মা ইলিশ নিধন হচ্ছে।
১০ই অক্টোবর সপ্তম দিনে পদ্মা নদীতে অভিযানে ১০হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা। ৪ কেজি মা ইলিশ উদ্ধার করে মাদ্রাসায় বন্টন করা।
৯ই অক্টোবর ষষ্ঠ দিনে ১০হাজার মিটার নিষিদ্ধ ঘোষিত কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। যার মূল্য তিন লক্ষ টাকা। সাড়ে ছয় কেজি মা ইলিশ জব্দ করে মাদ্রাসায় বন্টন করা হয়।
৮ই অক্টোবর পঞ্চম দিন ও রাতের অভিযানে ১৫ হাজার মিটার জাটকা ধরার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয় যা আনুমানিক ৪.৫ লক্ষ টাকা। ৫ কেজি মা ইলিশ জব্দ করে মাদ্রাসায় বন্টন করা হয়।
“মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ৪র্থ দিন ৭ই অক্টোবর রাতে
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) চরভদ্রসনর থানার চৌকস পুলিশের একটি টিমের মোবাইল কোর্ট অভিযানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিলো।
এ অভিযানে ৫ হাজার মিটার জাটকা ধরার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয় যা আনুমানিক ১.৫ লক্ষ টাকা, ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয় এবং ৪ জন আসামি ধরা হয়। উক্ত নিষিদ্ধ কারেন্টজাল গুলো বিধিমোতাবেক বিনষ্ট করা হয়। এবং ৪ জন আসামিকে ২ হাজার করে জরিমানা করা হয়। এবং মাছগুলো মাদ্রাসা বন্টন করে দেওয়া হয়।
উক্ত নিষিদ্ধ কারেন্টজাল গুলো বিধিমোতাবেক আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব কে, এ প্রতিবেদক অষ্টম দিন
চলমান অবস্থায় ৪দিন অভিযান পরিচালনা করেছেন। তিনি আরো জানিয়েছে,তিনি বিভিন্ন হাটবাজারে জনসচেতন করেছন। ওসহকারী কমিশনার একদিন ওউপজেলা নির্বাহী অফিসার নদীতে অভিযানের পরিচালনা করেন নি কেন? এর সদ উত্তর দিতে পারেন নি।
এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সরকার এপ্রতিবেদক জানান, অষ্টম দিন চলমান অভিযানে ৪ দিন নদীতে অভিযান পরিচালনা করেছেন এর উত্তরে জানিয়েছেন তিনি বিভিন্ন হাট বাজার জনসচেতন করছে। অন্য প্রশ্নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রাম করলেও জন গুরুত্বপূর্ণ মা ইলিশ সংরক্ষণ ট্রান্সফোস’ কমিটির সভাপতির জনসচেতনহীন গেল কেন? এর সদ উত্তর দিতে পারিনি।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com