শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

নবীনগরে হাইব্রিড জি-নাইন কলা চাষে কৃষকের সাফল্য

শফিকুল ইসলাম বাদল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)জেলা প্রতিনিধি :   |   বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১৮২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নবীনগরে হাইব্রিড জি-নাইন কলা চাষে কৃষকের সাফল্য
৭৭

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের কৃষি খাতে বারমাসি ফলের বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সম্ভাবনাময় এক নাম জি-নাইন কলা। টিস্যু কালচারের মাধ্যমে তৈরি এই উন্নত জাতের কলা গাছ ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান প্রথমবারের মত টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত জি- নাইন কলা আবাদ করে সফল হয়েছেন।

সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায়- এক বিঘার বেশি জমিতে ২২৫ টি জি- নাইন কলার চারা রোপণ করেছেন তিনি। বাগানের বয়স এক বছর না হলেও ইতিমধ্যে প্রতিটি গাছে ফলন এসেছে আশানুরূপ। প্রতিটি কাদিতে কলা এসেছে গড়ে ২৬০ থেকে ৩০০টি পর্যন্ত।
কৃষক হাবিবুর রহমান জানান- “জি-নাইন কলা অতি অল্প সময়ে ফলন দেয়, ফলের সংখ্যা অন্য স্থানীয় জাত থেকে প্রায় দ্বিগুণ, গাছের উচ্চতা কম হওয়া সহজে হেলে পরে না। টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত এই কলা গাছে রোগবালাই কম”।
উপ-সহকারী কৃষি অফিসার জনাব আক্তারুজ্জামান জানান- “এই বাগানের চারা থেকে ফল ধরা পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে আমি সরেজমিনে পরিদর্শন করে পরামর্শ দিয়েছি। স্থানীয় জাতের তুলনায় ফলন বেশি, রোগ বালাই ও কম। তাই কৃষকের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে এই বাগান”।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান-” জি-নাইন জাতের কলা মূলত ক্যাভেনডিশ গ্রুপের অন্তর্গত, যার বৈজ্ঞানিক নাম Grand Naine. এটি ফিলিপাইন ও ইসরায়েলসহ বিভিন্ন দেশে ব্যাপক ভাবে চাষ হয়। বাংলাদেশে এই জাতের কলা চাষ সম্প্রতি কৃষক মহলে পরিচিতি পাচ্ছে। এর উচ্চ ফলন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং দ্রুত ফলদানের কারণে এ কলা নিয়ে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। তা ছাড়া এটি প্যানামা ডিজিজ, সিগাটোকাসহ নানা রোগ প্রতিরোধে সক্ষম, ফলে কম খরচে বেশি লাভ সম্ভব। গড়ে নয় থেকে দশ মাসে ফলন দিতে সক্ষম”।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়- নবীনগর উপজেলায় চলতি মৌসুমে প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে কলা আবাদ হচ্ছে। যদি ধীরে ধীরে সকল বাগানে এই জাতের কলা বানিজ্যিক ভাবে আবাদ হলে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি করা ও সম্ভব হবে। তবে এ জন্য সরকারি ভাবে প্রশিক্ষণ, মানসম্পন্ন চারা সরবরাহ ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা জরুরি।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com