শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

পলাশবাড়ীতে পাকা ঘর দেবার কথা বলে প্রায় ৪শ ব্যাতির নিকট ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।। আদালতে মামলা

পলাশবাড়ী(গাইবান্ধা) প্রতিনিধি :   |   বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৫ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

পলাশবাড়ীতে পাকা ঘর দেবার কথা বলে প্রায়  ৪শ ব্যাতির নিকট ৬৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ।। আদালতে মামলা
৫৩

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পাকা ঘর দেবার কথা বলে ৩শ ৬৫ পরিবারের কাছ থেকে ৬৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ১৫ মার্চ বুধবার দুপুরে জেলার পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর হাজীপাড়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। অভিযুক্ত হাফেজ মাও. শহিদুল ইসলাম বগুড়া সদরের বৃন্দাবন পশ্চিম পাড়ার আকবার আলীর ছেলে। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, গাইবান্ধা জামিয়া ইসলামিয়া আসমা মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ মো: আল আমিন। তিনি পলাশবাড়ী পৌরশহরের উদয়সাগর হাজীপাড়ার জিয়াউল ইসলাম পারভেজের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, তিনি দীর্ঘ ৮ বছর ধরে গাইবান্ধা জামিয়া ইসলামিয়া আসমা মহিলা মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিন বছর আগে বন্ধু হাফেজ মোর্শেদ আলমের মাধ্যমে মাও. শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। দীর্ঘ তিন বছরে অভিযুক্ত শহিদুল এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রথমত জনপ্রতি মাত্র ৩শ টাকা গ্রহণ করে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী যথাসময়ে ২০টি পরিবারে টিউবওয়েল স্থাপন করে আস্থা তৈরী করেন শহিদুল ইসলাম।

এরপর এলাকার দু:স্থ-অসহায় মানুষকে ইটের ধার পাকা টিনসেড ঘর দেয়ার কথা বলে জনপ্রতি ১৫ হাজার করে টাকা দাবি করেন। তার পূর্বের কার্যক্রম ও বিশ্বাসযোগ্যতার আলোকে ৩৬৫ জন মানুষ ১৫ হাজার টাকা করে মোট ৫৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা শহিদুল ইসলামের হাতে তুলে দেন। এর মধ্যে হইতে ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে ৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬শ ৭০ টাকা এবং অবশিষ্ট ৪৮ লক্ষ ৭৫ হাজার ৩শ ৩০ টাকা শহিদুল ইসলাম হাতে গ্রহণ করে। পরবর্তীতে কাঠ-খুটি ক্রয়ের কথা বলে আরো ১০ লক্ষ নগদ টাকাসহ সর্ব মোট ৬৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা গ্রহণ করেন অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম গংরা। শহিদুল তার নিজে ব্যাংক হিসাব ছাড়াও স্ত্রী এবং সন্তানদের ব্যাংক হিসেব নাম্বারে এসব অর্থ গ্রহণ করেন। নির্ধারিত সময়ে ঘড় না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার গুলো হয়রানির শিকার হচ্ছেন। তারা টাকা ফেরতের জন্য চাপ প্রয়োগ করছেন।

এমতবস্থায় ভুক্তভোগীর পক্ষে আল আমিন ইসলাম বাদী হয়ে শহিদুল ইসলাম তার স্ত্রী রাজিয়া সুলতানা, ছেলে সালাউদ্দিন ও মেয়ে সুমাইয়া বেগমকে আসামী করে গাইবান্ধা আমলী আদালতে একটি (সি আর-৮০/২০২৬) মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটির যথাযথ গুরুত্ব বিবেচনা করে সিআইডির উপর তদন্তভার ন্যাস্ত করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করা, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা আত্মসাতকৃত অর্থ উদ্ধার করে ভুক্তভোগীদের ফেরত দেওয়া ও ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রতারণা রোধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করাসহ ন্যায়বিচার দাবি জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভুক্তভোগীরা। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ভুক্তভোগী আল আমিনের বাবা জিয়াউল ইসলাম পারভেজ, শরিফুল ইসলাম শরিফ, আব্দুল হান্নান, সোহেল রানা, হাবিবুর রহমান ও লাভলু মিয়া প্রমুখ।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com