শফিকুল ইসলাম বাদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি : | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে বরাবরের মতো এবারও বেড়েছে কাঠের তৈরি “খাটিয়া”র চাহিদা। কোরবানির পশুর মাংস ও হাঁড় কাটার কাজে ব্যবহৃত এই ছোট কাঠের গুঁড়িকে স্থানীয় ভাষায় অনেকে “গাছের গুঁড়ি” বলেও চেনেন।
সাধারণত গাছের গোড়ার দিকের গোলাকার কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয় এসব খাটিয়া। কোরবানির সময় ছাড়াও পেশাদার কসাইরা সারা বছরই এগুলো ব্যবহার করেন। তবে ঈদুল আজহা সামনে এলেই এর চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
রবিবার (২৪ মে ২০২৬) দুপুরে নবীনগর সদর বাজার ও বাঙ্গরা বাজার এলাকার কাঠপট্টি ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে খাটিয়া সাজিয়ে রেখেছেন। শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু কাটার বিভিন্ন সরঞ্জাম—ছুরি, দা, টাশকাল, বাঁশ বা হুগলার পাটি এবং খাটিয়া কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।
ব্যবসায়ীরা জানান, খাটিয়া তৈরিতে তেঁতুল গাছের কাঠকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। কারণ এ কাঠ অন্য কাঠের তুলনায় অনেক বেশি শক্ত এবং দা-ছুরির আঘাত সহজে সহ্য করতে পারে।
স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম জানান,
“প্রতিটি সাধারণ মানের খাটিয়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বড় খাটিয়াগুলোর দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।”
তিনি আরও বলেন,
“পশুর মাংস কাটার কাজে এই কাঠের গুঁড়ি বা খাটিয়ার চাহিদা অনেক। কোরবানির দিনে এটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। ঈদের আগ মুহূর্তেই মূলত বিক্রি বেশি হয়। এবারও শেষ সময়ে বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে।”
জানা গেছে, কোরবানির ঈদের সময় এসব খাটিয়া বিক্রি করে ভালো আয় করেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে পেশাদার কসাইদের ব্যবহৃত খাটিয়াগুলোর মান তুলনামূলক ভালো হওয়ায় সেগুলোর দামও বেশি হয়ে থাকে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com