শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ফরিদপুরে মৎস্যজীবীদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ

সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুস সালাম মোল্লা   |   বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৩৩ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ফরিদপুরে মৎস্যজীবীদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
৩৪

ফরিদপুরে মৎস্যজীবীদের জন্য বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জনপ্রতি ১৬০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও সেখানে দেওয়া হয়েছে মাত্র ৬০ কেজি চাল। তবে মৎস্য কর্মকর্তা ভাষ্য, এটা অনিয়ম নয়, বরাদ্দ কম আসায় এমনটি হয়েছে।

 

জানা গেছে, ১ নভেম্বর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা আহরণ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা চলছে। সেক্ষেত্রে ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত চার মাসে কার্ডধারী মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য ১৬০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। তবে এসব চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কার্ডধারী মৎস্যজীবীদের মাঝে মাত্র ৬০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। কোথাও কোথাও বস্তাপ্রতি ওজনেও কম দেওয়া হয়েছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল ইউনিয়নে ২৭০, চরমাধবদিয়ায় ১৩০, ডিক্রিরচরে ১১৩, আলিয়াবাদে ৮৬ জন এবং ফরিদপুর পৌরসভায় ১০০ জন কার্ডধারী মৎস্যজীবীর নামে বরাদ্দ এসেছে। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার একজন প্রতিনিধি ও চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে এসব চাল বিতরণের নির্দেশনা রয়েছে।

 

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে মৎস্যজীবীদের মাঝে চাল বিতরণ করা হয়। তবে সেখানে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কোনো প্রতিনিধিকে পাওয়া যায়নি।

এসময় দেখা যায়, পুরোনো কার্ডধারীদের মাঝে ৩০ কেজির দুটি বস্তায় ৬০ কেজি এবং নতুন কার্ডধারীদের এক বস্তা করে চাল বিতরণ করা হচ্ছে। যার মধ্যে বেশিরভাগ চালের বস্তা কাটাছেঁড়া। তবে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ইউপি চেয়ারম্যান তড়িঘড়ি করে নতুন কার্ডধারী কয়েকজন মৎস্যজীবীকে দুই বস্তা করে চাল তুলে দেন।

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কার্ডধারী মৎস্যজীবী বলেন, আমরা নিজেরাও জানি না কত কেজি করে চাল দেওয়ার কথা। আমাদের ৬০ কেজি করে আবার তার কমও দেওয়া হচ্ছে। তবে শুনেছি ১৬০ কেজি করে দেওয়ার কথা, কিন্তু তা দেওয়া হচ্ছে না।

 

তারা বলেন, আমাদের অভিযোগ শোনার কেউ নেই। তাছাড়া কার কাছে অভিযোগ দিবো? তারপর আবার কার্ড বাতিল হয়ে যাবে, চালও পাবো না। তাই যা দিচ্ছে তাই নিয়েই বাড়ি যাচ্ছি। আট মাস জাটকা মাছ মারা বন্ধ, কিন্তু চাল দেওয়া হচ্ছে চার মাসের। ১৬০ কেজি দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে ৬০ কেজিরও কম।

 

সদর উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফরিদপুর সদর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১ হাজার ৪০০ কার্ডধারী মৎস্যজীবী রয়েছেন। এর মধ্যে ৬৫৩ জন মৎস্যজীবীর মাঝে চালের বরাদ্দ এসেছে। মোট বরাদ্দকৃত চালের পরিমাণ ১০৪ দশমিক ৪৮ মেট্রিক টন। যার মধ্যে ৬০ কেজি করে বিতরণ করায় ৬৫ দশমিক ৩ মেট্রিকটন চালের হিসাবে গড়মিল পাওয়া গেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com