(ফখরুল ইসলাম) | মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫ | প্রিন্ট | ৬৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বাংলাদেশের রাজনীতি যেন এক চরম অস্থিরতার মুখে এসে দাঁড়িয়েছে। শাসক ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে কোনো রকম সৌজন্য বা মতবিনিময়ের পরিবেশ নেই। একে অপরকে ‘রাজাকার’, ‘দালাল’ বা ‘ভারতের চর’ আখ্যা দেওয়া যেন নিয়মিত ভাষণভঙ্গি হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনীতির এই উগ্রতা ও বিভাজন গভীর সংকটে ফেলছে দেশের সাধারণ জনগণকে।
🔺 রাজনীতি আজ শুধু অপবাদ আর প্রতিহিংসার খেল
বর্তমানে এক দল আরেক দলকে ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ বলছে, তো আরেক দল বলছে ‘ভারতের তাঁবেদার’। কেউ বলে ‘গুপ্তচর’, কেউ বলে ‘সন্ত্রাসী’। অথচ জনগণের মৌলিক চাহিদা, নিরাপত্তা, দ্রব্যমূল্য, শিক্ষা বা চিকিৎসা— এসব নিয়ে কোনো ইতিবাচক রাজনৈতিক বিতর্ক নেই।
🔺 নিরাপত্তাহীনতা, গণতন্ত্রহীনতা ও আইনের শাসনের সংকট
• নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ
• বিচারব্যবস্থা দলীয়করণে ক্ষতিগ্রস্ত
• ভিন্নমত দমন হচ্ছে
• সাধারণ মানুষ কথা বললে হয়রানি বা গ্রেফতারের শিকার
🔺 যে প্রশ্ন আজ সবখানে ঘুরছে: জনগণ কোথায় যাবে?
রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বন্দ্ব আর ক্ষমতার লড়াইয়ে আজ জনগণ কেবল দর্শক নয়, ভুক্তভোগী। অনেকে চাকরি পাচ্ছে না, অনেকে দেশ ছাড়ছে, কেউ কেউ হতাশায় আত্মহত্যার পথও নিচ্ছে। দেশের অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে, তরুণদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত।
🔺 বিশেষজ্ঞদের মতামত:
রাজনীতি যদি এই পথে চলতে থাকে, তবে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। প্রয়োজন একটি জাতীয় ঐকমত্য, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু শত্রুতা থাকবে না। জনগণের অধিকার, ভোটের মর্যাদা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করলেই কেবল দেশ নিরাপদ হবে।
⸻
🔚 শেষ কথা:
রাজনীতির এই পথ যদি না বদলায়, তবে সংকট শুধু গভীরতর হবে। জনগণকে বাঁচাতে হলে রাজনীতিকদের আগে নীতিতে ফিরতে হবে। নইলে এ দেশ থাকবে কাগজে স্বাধীন, কিন্তু বাস্তবে নিরাপদ নয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com