জার্মানি প্রতিনিধি: | রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২১ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যথাযথ মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে জার্মানির রাজধানি বার্লিনে। শনিবার নগরীর বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সকালে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন দেশটিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ জুলকার নাইন ।
পরে দূতাবাসের অডিটোরিয়ামে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। দূতাবাসের প্রথম সচিব এবং চ্যান্সারী প্রধান এস এম মাজহারুল ইসলাম এর উপস্থাপনায় এবং রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো বাণী পাঠ করে শোনান দূতাবাসের কাউন্সিলর মুহাম্মদ মহসিন রেজা এবং কমার্শিয়াল কাউন্সিলর চৌধুরী মুহাম্মদ গোলাম রাব্বী। এরপর দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরতে গিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
রাষ্ট্রদূত জুলকার নাইন বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন, দর্শণ ও দিক-নির্দেশনামূলক নেতৃত্ব বাংলাদেশকে সঠিক পথ দেখিয়েছে। ৭ নভেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশ থেকে বাংলাদেশকে শৃঙ্খলায় ফিরে এনেছিল। তাই ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তাৎপর্যপূর্ণ একটি স্মরণীয় দিন।
এসময় অনান্যদের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন জার্মান বিএনপির শীর্ষ নেতা কাজী রেজাউল হক সাঈদসহ বেশ কয়েকজন নেতৃবৃন্দ । বক্তারা বলেন তিনি আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ক্যু করেন খালেদ মোশাররফ, গৃহবন্দি করা হয় সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে। সে রাতেই কারাগারে জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা করা হয়। অথচ দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ওপর। তবে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে দেশপ্রেমে উদ্বেলিত হয়ে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান ছিল সবার কন্ঠে।
এসময় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিশেষ তথ্যচিত্রও প্রদর্শণ করা হয়।পরে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের শহীদদের প্রতি দোয়া ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com