শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

বেতাগীতে দলিল রেজিস্ট্রি না করে টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণার অভিযোগ

মো সৌরব বেতাগী প্রতিনিধি:   |   মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১০৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

বেতাগীতে দলিল রেজিস্ট্রি না করে টাকা আত্মসাৎ, প্রতারণার অভিযোগ
১৬

বরগুনার বেতাগীতে টাকা নিয়েও দলিল রেজিষ্ট্রি না করে দাতার বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগ ও মামলার বিবরন সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের দেশান্তরকাঠী গ্রামের বাসিন্দা মৃত: মো: আব্দুল কাদের আকনের ছেলে আল আমিন একই এলাকার বাসিন্দা মৃত: মো: আলতাফ হোসেনের ছেলে মো: রফিকুল ইসলামের জে. এল: ০৩, দেশান্তরকাঠী মৌজার এস.এ ১০১, ১৪৭, ৫৯৪ ও ৫৯৫ এবং ১২৯৮ খতিয়ানভুক্ত ৫৩ শতাংশ জমি উভয়ের মধ্যে আলোচনা সাপেক্ষ কবলার সিদ্ধান্ত নেয়।

উপজেলা সাবরেজিষ্টার কার্যালয়ের দলিল লেখক মো: সোহরাব হোসেন গত ১৭ জুলাই তাদের দলিল লেখা সম্পন্ন করার পর গ্রহীতা আল আমিন দাতা রফিকুল ইসলামকে নগদ ৯ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা এবং ইতোপূর্বে ইউসিবি ব্যাংকের ১৯৮২১১২০০০০০১৪০২ নম্বর হিসাবে এবং ০১৩১১৯৯২৬২৭, ০১৭৭৬৮১৯১২৪ নম্বর বিকাশের মাধ্যমে ঐ জমির মূল্য বাবদ মোট ১৪ লক্ষ টাকা পরিশোধ করে দেন।

দাতা রফিকুল ইসলাম উক্ত সমুদয় টাকা বুঝে পাওয়ার পর তার কামরায় বসে ঐ কবলা দলিলে সম্পূর্ণ দস্তগত দেন এবং পে-অর্ডার সহ সাবরেজিষ্টার অফিসে রেজিষ্ট্রি করার জন্য দলিল জমা করে। কিন্ত গ্রহীতা অভিযোগ করেন, তার সরলতার সূযোগে দাতা ভান করে বাহিরে বের হন। এরপর আর না ফেরায় দলিল রেজিািস্ট্র না করে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে সে পালিয়ে যায়। তার সাথে থাকা মুঠোফোন বন্ধ করে রাখায় বারং বারং যোগাযোগের চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়ে সাবরেজিষ্টারের স্মরনাপন্ন হয় এবং তার নিকট লিখিত অভিযোগ করেন।

তাছাড়াও গত ২১ জুলাই বরগুনায় বেতাগী উপজেলা জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন (যার নং- ২১৪)।সোমবার (২৮ জুলাই) সকালে গ্রহীতা ভ’ক্তভোগি আলআমিন বেতাগী প্রেসক্লাবে অভিযোগ কালে টাকার শোকে আহাজারী করে। এ সময় আল আমিন বলেন, ‘দাতা রফিকুল সমুদয় টাকা নিয়েও দলিল রেজিষ্ট্রি না করে আমার সাথে চরমভাবে প্রতারনা করেছেন। যার ফলে আমি ও আমার পরিবার আজ নি:স্ব ও চরম অসহায়াত্বের মধ্যে পড়েছি। ঘটনার পর উপজেলা সাব-রেজিষ্টারের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছি ও আদালতে আইনের আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।’

অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করে দাতা মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘টাকা পাওনা থাকায় দলিল রেজিষ্ট্রি করে দেইনি। ১৪ লাখ টাকার মধ্যে মাত্র ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা হাতে পেয়েছি। বাকী টাকা এক বছর পরে দেওয়া হবে বলায় আমি না বলে চলে আসি।’

জানতে চাইলে উপজেলা সাবরেজিষ্টার হাসীফুল হক শোভন বলেন, বিষয়টি দু:খ জনক। প্রতারনার শিকার হয়ে থাকলে ভ’ক্তভোগিরা আইনের আশ্রয় নিতে পারেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com