মুহাম্মদ কাইসার হামিদ, কুলিয়ারচর (কিশোরগঞ্জ): | রবিবার, ৩১ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | ৪৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের ৫০ বছর পুর্তি সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে “লালন-হাসন স্বরণোৎসব”-২০২৫ উদযাপিত হয়েছে।
শনিবার (৩০ আগষ্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভৈরব উপজেলা মিলনায়তনে লালন-হাসন স্বরণোৎসব-২০২৫ উদযাপিত হয়।
লালন-হাসন স্বরণোৎসবে উপস্থিত ছিলেন, ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের উপদেষ্টা ও ভৈরব উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের উপদেষ্টা ও ভৈরব চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এর সভাপতি মো. জাহিদুল হক জাবেদ, ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের সাধারণ সম্পাদক ও ভৈরব প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব সোহেলুর রহমান।
অনুষ্টানে ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের সভাপতি গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সংগীত পরিচালক শহীদুজ্জামান স্বপন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতনের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আব্দুল মতিন, নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আবুল মোল্লা, নিকেতনের সহ-সভাপতি ও ভৈরব খোদেজা খানম হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক আলকাছ আল মামুন প্রমূখ।
এসময় সংগীত নিকেতনের উপদেষ্টা মো. রফিকুল “ইসলাম ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতন” এর সৃষ্টি লগ্নের ইতিহাস ও বিভিন্ন ব্যক্তির অবদানের কথা তুলে ধরেন।
সংগীত নিকেতনের সাধারণ সম্পাদক সোহেলুর রহমান ” সংগীত নিকেতনকে সুস্থ-শুদ্ধ সংগীত বিকাশে এগিয়ে নেওয়ার আহবান জানান।
সংগীত নিকেতনের সভাপতি শহীদুজ্জামান স্বপন বলেন, বাংলার লোক কবি লালন সাঁই ও হাসন রাজার মরমী ও লোক ধারার কথা যা বাংলাদেশের শিকড়। তিনি আরও বলেন, আগে বাংলাদেশের লোক ধারাকে চেনো তারপর মাইকেল জ্যাকসনকে চেনো।
এছাড়াও অন্যান্য অতিথিরা তাদের নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করে আলোচনা করেন।
ভৈরবের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতন” সংগীত শিক্ষাদানে সকলের সহযোগীতায় সফলতার সাথে ৫০ বছর অতিবাহিত করেছে। “ওস্তাদ ইসরাইল খান সংগীত নিকেতন” এর ৫০ বছর পুর্তি “সুবর্ণ জয়ন্তী” উদযাপন উপলক্ষে বাঙালীর অসাম্প্রদায়িক ও মরমী চেতনার প্রাণ পুরুষ লালন সাঁই ও বাংলার লোক মরমি গানের জগতে একজন দার্শনিক কবি হাসন রাজা স্বরণে “লালন-হাসন স্বরণোৎসব”সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
অনুষ্ঠানে সংগীত নিকেতনের শিল্পীদের পরিবেশনায় ছিল এক মনোজ্ঞা সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা। অনুষ্ঠানের শুরুতে ক্ষুদে শিল্পীদের পরিবেশনায় মরমী কবি লালন ও হাসন রাজার দুটো গানের সমন্বয়ে গীতিনৃত্যের মাধ্যমে শুরু হয় উদ্বোধনী পর্ব। এরপর চলে একক গানের পর্ব। কিছু সময়ের জন্য দর্শক শ্রোতা হারিয়ে যায় ভাবের সাগরে।
অনুষ্ঠানের সর্বশেষ পরিবেশনায় ছিল সকল শিল্পীদের অংশগ্রহণে একটি সমবেত সংগীত। গানের কথা- ধন্য ধন্য বলি তারে।
যন্ত্র-শিল্পী ছিলেন, কিবোর্ডে নুর হোসেন, দোতরায় বাউল নয়ন, বাঁশিতে মিজান, তবলায় কার্তিক বিশ্বাস ও দেবাশিষ রায় পার্থ, অক্টোপ্যাডে আনোয়ার হোসেন, হারমোনিয়ামে জ্যোতি মন্ডল ও ঢোলে বিশ্বজিৎ দাস।
শৃঙ্খলার দায়িত্বে ছিলেন, যুব রেড ক্রিসেন্ট ভৈরব উপজেলা টিম।
এছাড়াও অনুষ্ঠান নির্বাহী- শাহীনুল ইসলাম শাহীন, অনুষ্ঠান সমন্বয়ক মো. নূর হোসেন, সহকারী সমন্বয়ক- আনোয়ার হোসেন, সংগীত মহড়া পরিচালক জ্যোতি মন্ডল, গীতি নৃত্য পরিচালনায় স্নিগ্ধা সাহা প্রীতি, নৃত্য কোরিওগ্রাফী সোমাইয়া হামিদ দিয়া।
অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও সামগ্রিক পরিচালনায় ছিলেন ওস্তাদ শহীদুজামান স্বপন।সঞ্চালনায় ছিলেন বিশ্বজিৎ বণিক ও শারমিন আক্তার।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com