মাসুদ রায়হান যশোর জেলা প্রতিনিধি: | রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যশোরের মণিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মাহির দায়ান আমিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বদলে যাচ্ছে এই উপজেলার ভূমি সেবা। জমির রেকর্ড হালনাগাদ, ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) আদায়, খাস জমি ব্যবস্থাপনা এবং নামজারি (মিউটেশন) সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের জটিলতা নিরসনে তিনি দৃষ্টান্তমূলক ভূমিকা পালন করছেন।জনসেবার এই গতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি নিয়মিত শুনানির আয়োজন করছেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার একদিনেই তিনি ২২টি ভূমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি সম্পন্ন করেছেন, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।ভুক্তভোগী ও সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগ, আগে ভূমি অফিসে সেবা পেতে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। তবে বর্তমানে সরকারি খরচে স্বচ্ছতার সাথে সেবা পাওয়ায় এবং প্রকৃত মালিকরা জমির অধিকার ফিরে পাওয়ায় প্রশংসায় ভাসছেন এই কর্মকর্তা।
মণিরামপুর উপজেলার গাংড়া গ্রামের মাস্টার নজরুল ইসলাম জানান,আমার পৈতৃক সম্পত্তি দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে প্রতিবেশী ইসমাইল হোসেন জবরদখল করে রেখেছিলেন। এসি (ল্যান্ড) মাহির দায়ান আমিন মহোদয়ের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর তিনি সকল কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খ যাচাই-বাছাই করে আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন। আমি সঠিক বিচার পেয়েছি।
শুধু দাপ্তরিক কাজ নয়, তৃণমূল পর্যায়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতেও যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানিহীন সেবা পায়, সে লক্ষ্যে কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক তদারকি বজায় রেখেছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন। তাঁর এই কর্মতৎপরতায় মণিরামপুরে ভূমি ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com