মাসুদ রায়হান যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ | বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যশোরের মনিরামপুর উপজেলার বিপ্রকোনা মাষ্টার ইসমাইল হোসেন এতিম খানায় রাখার উদ্দেশ্য করে করে আনা অসহায় শিশুর শেষ ঠিকানা হলো বিপ্রকোনা গ্রামের হত দরিদ্র আবুবক্কারের স্ত্রী লাল বানুর ভাঙ্গা ঘরে।
লাল বানু জানান প্রথোম রমজানের দিন জনৈক এক মহিলা শিশু সোহানকে নিয়ে আসে মাষ্টার ইসমাইল হোসেন এতিম খানায় রাখার জন্য কিন্তু এতিম খানায় রাখতে হলে আগামী এক মাস অপেক্ষা করতে হবে। তখনই বিপদে পড়ে সোহানকে আনা জৈনক মহিলা। ঠিক ওই মুহূর্তে ঘটনা স্থানে উপস্থিত হয় লাল বানু, ও একই গ্রামের সকো হুজুর নামে এক ব্যক্তি। সোহান কে আনা মহিলা তাদেরকে বলে আমি আর সোহানের মা পাশাপাশি কেশবপুরে ভাড়া বাড়িতে থাকি হটাৎ করে সোহানদের বাড়িতে কান্নাকাটি শুনতে পেয়ে ছুটে যায় আর সোহানকে মারপিট করতে দেখি সোহানের মার হাত থেকে সোহান কে উদ্ধার করে এই এতিম খানায় রাখতে আনি এমন টাই জানিয়েছেন লাল বানু।
সোহান কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের ফারুক মোড়লও ফরিদা দম্পতির ছেলে। সোহান তার মার কাছে ফিরে যাবে কিনা জানতে চাইলে সোহান বলে আমি মার কাছে যাবোনা ফিরে গেলে মা আমাকে বিষ খাইয়ে মে’রে ফেলবে। সোহানের এমন কথায় উপস্থিত লোকজন হতবাক হয়ে যায়।
লাল বানুর ভাঙ্গা ঘরে আশ্রয় হওয়া শিশু সোহানকে দেখতে শত শত মানুষ ভিড় করছে লাল বানুর বাড়িতে। লাল বানু বলেন যদি এতিম খানায় সোহনের ঠায় না হয় তাহলে আমি তাকে বড়ো করবো লেখা পড়া শিখিয়ে মানুষ করার মতো মানুষ করার জন্য চেষ্টা করবো।
লাল বানুর এই মহত মানসিকতার জন্য এলাকায় প্রশাংসায় ভাসছে হত দরিদ্র মহিলা লাল বানু।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com