আফজালুর রহমান আবির, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধি | শনিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | ১৪৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্দাশীল নারী শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় স্থায়ী ভাবে স্থাপিত হয়েছে “আল্-আসলামিয়া পর্দা কর্ণার”।এতে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ, পর্দা ভেতর খাদ্য গ্রহন করতে পারবেন। পর্দা কর্ণার স্থাপন হওয়ার পর শিক্ষার্থীরা জানান “আলহামদুলিল্লাহ, মাভাবিপ্রবি প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতা এতো চমৎকার একটা কর্ণার আমাদের করে দেয়ার জন্য।আমাদের উপাচার্য মহোদয়, প্রক্টর স্যার,শিক্ষার্থী কল্যাণ পরামর্শক পরিচালক,এস্টেট পরিচালক সবাই মানবিক ছিলেন এবং গুরুত্ব দিয়ে অনুধাবন করেছেন। সেইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সিনিয়র জুনিয়র ভাইবোনদের,সাংবাদিকবৃন্দদের যারা শুরু থেকেই এ বিষয়টাকে সাপোর্ট দিয়ে গেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক, বর্তমান সকল আপুদের পরামর্শ থেকে শুরু করে সবাই এখানে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করেছেন।আমরা সবাই স্যাটিসফাইড।এটা আমাদের বোনদের জন্য কার্যকরী হবে, এখন আর কারো খাদ্য গ্রহণের মতো বেসিক হিউম্যান নীডস লঙ্ঘিত হবে না” পর্দা কর্ণারের নাম “আল্ আসলামিয়া” কেন ও কিভাবে হলো জানতে চাইলে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী আমিনা সুলতানা মুনা জানান,“রুফাইদা আল আসলামিয়া,তিনি ছিলেন প্রথম নারী মুসলিম সেবিকা হিসেবে স্বীকৃত একজন ইসলামী চিকিৎসক। তিনি মূলত তাঁর চিকিৎসক বাবা সাদ আল-আসলামির কাছ থেকে চিকিৎসাবিদ্যা সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি চিকিৎসাবিদ্যায় এতই ব্যুৎপত্তি অর্জন করেন যে রাসুল (সা.) যুদ্ধে আহত সব সৈনিককে তাঁর কাছে চিকিৎসার জন্য পাঠাতেন। তিনি আহতদের সেবায় মসজিদে একটি তাঁবু করেছিলেন।
তাঁর দায়িত্বাধীন সেই অস্থায়ী হাসপাতালকে বলা হতো খিমাতু রুফাইদা। আজকের পৃথিবীর ভ্রাম্যমাণ হাসপাতাল ও চিকিৎসার ধারণাটি এখান থেকেই মানুষ নিয়েছে” তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশকিছু স্থাপনা বা স্থানের ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ,বিখ্যাত মানুষের নাম যেহেতু আছে।আমরা নিজেরা ভেবে এমন একটি নাম প্রস্তাবনায় রেখেছি যাতে এই নারী সাহাবীর সাহসিকতা,দৃষ্টান্ত ইতিবাচক ভাবে আমরা লালন করতে পারি” উল্লেখ্য গত ৩০ জুন পর্দা কর্ণার স্থাপন সহ তিন দফা দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, প্রক্টর ও শিক্ষার্থী কল্যান ও পরামর্শ পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছিলো শিক্ষার্থীরা।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com