শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

যৌন হয়রানির অভিযোগে বাকৃবির অধ্যাপকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ

বাকৃবি প্রতিনিধি   |   শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ১৯০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

যৌন হয়রানির অভিযোগে বাকৃবির অধ্যাপকের বিরুদ্ধে  বিক্ষোভ সমাবেশ

মালয়েশিয়ার এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুণ-অর-রশিদের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে । শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড়ে প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থীর এই বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন । এ সময় শিক্ষার্থীরা বলেন, “এমন ঘটনা শুধু আজকের না আগেও ঘটেছে তবে কোন বিচার হয়নি।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরেও আমাদের এই কাহিনীগুলো শুনতে হচ্ছে এবং এখনো পর্যন্ত আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কোন যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেল গঠিত হয়নি যা আমাদের ১১ দফার দাবির মধ্যে একটি ছিল। এর আগেও বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষার্থীদের উপর শিক্ষক দ্বারা যৌন নিপীড়নের ঘটনা ঘটছে। অনেক শিক্ষার্থী ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না। আমরা চাই এগুলোর একটি সুষ্ঠু বিচার হোক। এজন্যই আমরা এখানে আজ সমবেত হয়েছি।’’ নেপালি শিক্ষার্থী বিক্রম ধোজু বলেন, আমাদের বিদেশি শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের খারাপ আচরণের খবর শুনে আমরা চুপ করে বসে থাকব না। ওই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা চাই আইনের মাধ্যমে সকল অপরাধীর শাস্তি হোক। শ্লীলতাহানিকারীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দিতে হবে। এ ঘটনার যথাযথ তদন্ত হোক।

এটি বর্তমানে কেবল বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যাপার নয়, এটি এখন আমাদের সবার চিন্তার বিষয়। শুধু বিদেশিরাই নয়, বাঙালি শিক্ষার্থীরাও এই এনসিডি (নন কমিউনিকেবল ডিজিজ) রোগে আক্রান্ত। একজন ভুক্তভোগীর জন্য আইনি প্রক্রিয়ার বিলম্ব হওয়া অন্যায়ের সমান।   উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূইঁয়া থেকে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে, ‘এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এখন তদন্ত কমিটির রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছি। এখানে অপরাধী কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই।’ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা অবশ্যই ন্যায় বিচার করবো।’ তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব আলম জানান এই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়া হবে।

এদিকে মুঠোফোনে একাধিকবার অধ্যাপক ড. মো. হারুন–অর–রশিদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মালয়েশিয়ার এক নারী শিক্ষার্থী অধ্যাপক ড. মো হারুন-অর-রশিদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও লাঞ্ছনার অভিযোগ করেছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুব আলমকে আহ্বায়ক এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com