| শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট | ৮৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
বরবেশে ৬৬ বছরের শরিফুল ইসলাম। বিপত্নীক এই ব্যক্তিকে বিয়ে করলেন ২২ বছরের কলেজ শিক্ষার্থী তরুণী আইরিন আক্তার। তারা সম্পর্কে নানা-নাতনি। দেশের উত্তরের জেলা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম পৌর এলাকার দক্ষিণ কোর্টতলি এলাকায় শরিফুলের বাড়ি। আর কনে আইরিন উপজেলার কুচলিবাড়ি ইউনিয়নের নজরুল ইসলামের মেয়ে। তাদের বিয়ে হয়েছে গত ২২ মার্চ। এ বিয়ের খবর-ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় লালমনিরহাট জেলাসহ সারাদেশে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, আইরিনের পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ভালো না। ফলে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই তার পড়াশোনার খরচ দিয়ে আসছেন বৃদ্ধ শরিফুল ইসলাম।
আর সেই সময় থেকেই তাদের সম্পর্ক তৈরি হয়। তরুণী আইরিন আক্তার জানান, ‘সম্পর্কে তিনি আমার নানা। পরিবারের অভাবের কারণে ছোট থেকেই তিনি আমাকে পড়ালেখা চালিয়ে নিতে সহায়তা করে আসছেন। কিছুদিন আগে আমার পরিবার আমাকে বিয়ে দেওয়ার চিন্তা করছিল। আমি ভেবে দেখেছি, অন্য কোথাও আমার বিয়ে হলে আমার পড়ালেখা আর নাও হতে পারে। ফলে ভেবেচিন্তে আমি ওনাকেই আমার জীবন সঙ্গী করার জন্য বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেই। এতে প্রথমে আমার বাবা রাজি ছিলেন না, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমার চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে আমার বাবা রাজি হয়ে আমাদের বিয়ে দিয়েছেন। বর শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘আইরিন ছোট থেকেই পড়ালেখায় অনেক ভালো।
চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ার সময় তার সঙ্গে আমার পরিচয়, আমাকে নানা বলে ডাকত। মেধাবী হওয়ায় তার পড়াশোনায় আমি অনেক সহায়তা করেছি। বড় হয়ে বিয়ের আলাপ শুরু হলে সে হুট করে আমাকেই বিয়ে করবে বলে জানায়। হতবাক আমি তাকে ভালো করে বোঝার সময় দিয়েছিলাম; কিন্তু নাছোড়বান্দা মেয়েটি আমাকেই বিয়ে করবে। শেষপর্যন্ত তাকে বিয়ে করেছি পরিবারের মতামতের ভিত্তিতে। তিনি আরও বলেন, যেহেতু মেয়েটি আমাকে গ্রহণ করে নিয়েছে সেখানে বয়স কোনো ব্যাপার না। এ প্রসঙ্গে তরুণী আইরিন আক্তার বলেন, কারও কোনো চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তে আমরা বিয়ে করিনি। জেনে শুনে-বুঝেই আমরা বিয়ে করেছি। এখন কে কী বলল সেটা আমার দেখার বিষয় না। তবে আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com