আনোয়ার হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ | মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ইতিহাস সংরক্ষণের বাতিঘর, গাইবান্ধা বধ্যভূমি সংরক্ষণ আন্দোলনের প্রধান সংগঠক ও প্রখ্যাত রাজনীতিক জিএম চৌধুরী মিঠুকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেছেন তার সহযোদ্ধা, অগ্রজ-অনুজ ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় বক্তারা বধ্যভূমি রক্ষায় তার অসামান্য অবদানের কথা গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে তুলে ধরেন।
মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের ১নং রেলগেট এলাকায় সিপিবি কার্যালয়ে এই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গঠিত স্মরণসভা আয়োজক কমিটি এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ওয়াজিউর রহমান রাফেলের সভাপতিত্বে ও সংস্কৃতিকর্মী শিরিন আকতারের সঞ্চালনায় প্রয়াত জিএম চৌধুরী মিঠুর জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন সংস্কৃতিজন প্রমতোষ সাহা, লেখক গবেষক অধ্যাপক জহুরুল কাইয়ুম, কবি- আবৃত্তি শিল্পী দেবাশীষ দাশ দেবু, গাইবান্ধা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাহিত্যিক অমিতাভ দাশ হিমুন, সংগীত শিল্পী চুনি ইসলাম, রাজনীতিক জয়নাল আবেদীন রাজু, অ্যাড. সিরাজুল ইসলাম বাবু, মিহির ঘোষ, গোলাম রব্বানী, মনজুর আলম মিঠু, মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষিবিদ সাদেকুল ইসলাম গোলাপ, কৃষিবিদ মোস্তফা নুরুল ইসলাম রেজা, নাট্যজন আলমগীর কবির বাদল, কবি- সাংবাদিক রজতকান্তি বর্মন, আদিবাসী বাঙালি নেতা গোলাম রব্বানী মুসা, উন্নয়ন ব্যক্তিত্ব প্রবীর চক্রবর্ত্তী, সাংবাদিক রিকতু প্রসাদ, কায়সার রহমান রোমেল, আরিফুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
সংগীত শিল্পী সোমা সেনের- জীবন মরণের সীমানা ছাড়িয়ে বন্ধু হে আমার রয়েছো দাঁড়িয়ে… রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশের মাধ্যমে স্মরণসভার সূচনা হয়। এর আগে প্রয়াত জিএম চৌধুরী মিঠুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। পরে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করা হয়।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, জিএম চৌধুরী মিঠু শুধু একজন রাজনীতিকই ছিলেন না, তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এক নির্ভীক সৈনিক। গাইবান্ধার বধ্যভূমিগুলো সংরক্ষণে তার অবদান চিরদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তরুণ প্রজন্মকে তার আদর্শ ও দেশপ্রেম থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com