শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ভাল ছাত্র বনাম খারাপ ছাত্র

এস এম নওশের:   |   বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৭৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ভাল ছাত্র বনাম খারাপ ছাত্র

আমি মনে করি ভাল ছাত্র খারাপ ছাত্র বলতে কিছুই নেই।একেকজনের ব্রেনের উদ্দীপনা একেক বিষয়ে কিংবা একেক স্থানে হতে পারে। সিম্পল ভাবে বলা যায় স্বর্ন কারের কাছে লোহার দাম নেই।কারন এটা তার কোন কাজে আসেনা।আবার কর্মকারের কাছে স্বর্নের দাম নেই।কারন এইটা তার কাজে আসেনা।

এই কারনে কোন বাচ্চা যদি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় যদি পড়াশুনায় পিছিয়েও থাকে তাহলে তাকে তার অভিভাবকেরা আন্ডার মাইন্ড করবেন না। তার শিক্ষকেরা তাকে গাধা গরু কিম্বা ছাগল বলবেন না। আল্লাহ পাক একেকজন কে একেকটা কাজের জন্যে তইরি করেন।তার পটেনশিয়ালিটি হয়ত অন্য জায়গায় যা কিনা আপনার চোখে ধরা দিচ্ছেনা। মাছ কে যদি গাছে চড়তে দেন সে কি সেটা পারবে??আইন্সটাইন কিন্তু স্কুলে গেছেন অনেক দেরীতে।এবং তিনি কিন্তু একদম ই ভাল ছাত্র ছিলেন না।

শুধু অংক ছাড়া সব বিষয়ে তিনি উতরাতে পারতেন না।আলভা এডিসন কে তো স্কুল থেকেই বের করে দেয়া হয়েছিল। তার মা কে চিঠি দেয়া হয়েছিল এই বলে যে এরকম গর্দভ আর নির্বোধ ছেলেকে তারা স্কুলে রাখতে পারবেনা।সেই এডিসন তার বিভিন্ন আবিস্কার দিয়ে গোটা বিশ্ব কে ঋনী করে রেখে গেছেন।আজ যে আমরা ট্রেনে চড়ছি সেটা যিনি উদ্ভাবন করেন তিনি কিন্তু কোন উচচ শিক্ষিত ব্যাক্তি ছিলেন না।তিনি ছিলেন কয়লা খনির শ্রমিক।জর্জ স্টিভেন্সন। আজ যে আমরা বিমানে চড়ছি সেটার আবিস্কারক দুই ভাই উইলভার রাইট আর অরভিল রাইট ছিলেন সাইকেল মেরামত কারি।উনারাও সেই অর্থে তেমন শিক্ষিত ছিলেন না। অথচ যাতায়াতের ক্ষেত্রে এনারা যে যুগান্তকারী আবিস্কার করেছেন ফলে গোটা বিশ্ববাসি আজ তাদের কাছে ঋনী।

আমার স্কুলের এক বন্ধু যে আসলে অই অর্থে কোন ভাল ছাত্র ছিল না। ইন্টারের পর চলে গেল কানাডায়।সেখানে সে খুব বড় একজন বিজ্ঞানি হয়ে গেল। দেশের বড় বড় সংবাদ পত্র তাকে এবং তার আবিস্কার নিয়ে শিরোনাম করল। অথচ আমাদের ক্লাসের যিনি ফার্স্ট বয় তিনিও তার জায়গায় প্রমিনেন্ট কিন্ত্ তাকে কেউ অইভাবে চেনেন না।
সেই বিজ্ঞানীর ঢাকার প্রতিসঠানের সাথে গবেষনা কাজে যুক্ত আছেন শিশু হাসপাতালের একজন বিভাগীয় প্রধান। একটা প্রগ্রামে উনাকে যখন বললাম আপনি যার প্রতিসঠানের সাথে যুক্ত আছেন তিনি আমার স্কুল বন্ধু। চোখ গোল গোল করে তাকিয়ে রইলেন।

আসলে অন্যের সাথে তুলনা না করে প্রত্যেকের উচিত নিজের পটেনশয়ালিটি কে খুজে বের করা।সেটাকে বিকষিত করা। সেই অনুযায়ী কাজ করা। আবার অনেক সময় পরিস্থিতি ও মানুষ নিজেকে নতুন ভাবে আবিস্কার করতে শেখায়।

লেখক একজন চিকিতসক এবং ফ্রিল্যান্স কলামিস্ট।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com