আলমগীর হোসেন | শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট | ৮৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ডোমারের ঐতিহ্যবাহী শতবর্ষী প্রতিষ্ঠান শহীদ ধীরাজ-মিজান স্মৃতি পাঠাগার ও মিলনায়তনের কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচনে প্রকাশ্যে অংশ নিয়েছেন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ও জামায়াত-বিএনপির দায়ের করা মামলার আসামিরা। এতে নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে পাঠাগার মিলনায়তনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যদিও শুরুতে নির্বাচন ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল, তবে দুপুর গড়াতেই নানা অনিয়ম ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ সামনে আসে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা সরাসরি অংশ নিয়েছেন এবং নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন।
শুধু তাই নয়, জামায়াত-বিএনপির দায়ের করা মামলার একাধিক আসামিকেও নির্বাচনী কাজে সরব থাকতে দেখা গেছে। ডোমার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর একাধিক নেতাকর্মী অভিযোগ করেন, থানা প্রশাসনের সাথে যোগসাজশ করেই আওয়ামী লীগ নেতারা প্রকাশ্যে নির্বাচন পরিচালনা করছেন। তাদের দাবি, প্রশাসন এভাবে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে পুনর্বাসন করছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনছে। তাদের আরও অভিযোগ, এই নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিতর্কিত নেতাদের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।
এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জানা গেছে, পাঠাগার নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন-২০২২সালে ৩১জুলাই উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন মো. আনজারুল হক। তিনি পাঠাগারের নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ডের সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামীর দায়ের করা মামলার নামীয় আসামি আল আমিন রহমান (সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে), উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সাজ্জাদ কিবরিয়া পাপ্পু (সদস্য পদে), আওয়ামী লীগ সমর্থিত সহিদার রহমান মানিক (সহ-সভাপতি পদে), এবং ইলিয়াস হোসেন (গ্রন্থাগার সম্পাদক পদে) যিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এ বিষয়ে ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলামকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংক্ষেপে বলেন, “বিষয়টি দেখতেছি,” এরপর ফোন কেটে দেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com