শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

জার্মানিতে দোয়া ও কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করেছে বার্লিন মহানগর বিএনপি

জার্মানি প্রতিনিধি:   |   মঙ্গলবার, ০৩ জুন ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   ১২৯২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

জার্মানিতে দোয়া ও কোরআন তেলওয়াতের মাধ্যমে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালন করেছে বার্লিন মহানগর বিএনপি
৫৮

জার্মানিতে বার্লিন মহানগর বিএনপির উদ্যাগে বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী।

এই উপলক্ষে সোমবার ২জুন স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় রাজধানী মধ্য বার্লিনের ওয়াইনস্ট্রাসের একটি মিলনায়তনে দলটির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয় পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত, দোয়া মাহফিল ও তবারুক বিতরণ অনুষ্ঠান। এসময় কোরআন তেলওয়াত করেন বার্লিনের বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব মাওলানা হেলাল উদ্দিন সিরাজী।

অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন যুবদল নেতা আবু তাহের। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রদর্শণ করা হয় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উপর নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। জিয়াউর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রতিষ্ঠাতা। দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণের পর  তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবিভূর্ত হয়। সে সময়ে দেশজুড়ে খালকাটা কর্মসূচি, সমবায় উদ্যোগ, মৎস্য সম্পদের উন্নয়ন, স্বনির্ভরতা অর্জন, সবুজ বিপ্লব, শিল্প উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী ও আধুনিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা রাখেন। নারী সমাজের উন্নয়ন ও শিশুদের বিকাশে তার আগ্রহ জাতিকে নতুন দিকনির্দেশনা দেয়। কর্মের প্রতি তাঁর সততা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা আর বাংলার গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের প্রতি তার ছিল অশেষ দয়া।

আর ঠিক সে সময় দেশকে যখন পৃথিবীর মানচিত্রে নতুন করে পরিচিত করতে চেষ্টা করছিলেন তখনই তার বিরুদ্ধে শুরু হয় দেশি-বিদেশি নোংরা ষড়যন্ত্র। ১৯৮১ সালের ২৯ মে সরকারী সফরে তিনি চট্টগ্রামে যান। ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে গভীর রাতে একদল সেনাসদস্য তাকে হত্যা করে। বিপথগামী সেনাসদস্যরা তার লাশ চট্টগ্রামের রাউজানের গভীর জঙ্গলে কবর দেয়। তিন দিন পর ওই লাশ উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়। ঢাকায় তাঁর জানাজায় লাখ লাখ শোকার্ত মানুষের অংশগ্রহণ জানান দেয় তিনি কতটা জনপ্রিয় শাসক ছিলেন। শেরেবাংলা নগরে জাতীয় সংসদ ভবন চত্ত্বর বা জিয়া উদ্যানে তাকে সমাহিত করা হয়।

অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সকল বীর যোদ্ধাদের স্মরণসহ তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের জন্য দোয়া এবং প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোসহ গেল বছরের জুলাই বিপ্লবে যারা শহীদ হয়েছে তাদের জন্য ও দেশ ও দেশের মানুষের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া মাহফিলে জার্মান বিএনপিসহ তার অঙ্গসহযোগী সংগঠনের সকল নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে সবার মাঝে বিতরণ করা হয় শাহদাৎ বার্ষিকীর বিশেষ তবারুক।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com