| শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | ১৫২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
আজ ১৪ নভেম্বর, শুক্রবার বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস সম্পর্কে বিশ্বময় সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এটি একটি ক্যাম্পেইন, যা প্রতিবছর ১৪ নভেম্বর পালিত হয়। বিশ্বজুড়ে ডায়াবেটিস রোগ ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায়, বিশ্ব ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৯১ সালে ১৪ নভেম্বরকে ডায়াবেটিস দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০৭ সাল থেকে এই দিবসটি জাতিসংঘ দিবস হিসেবেও পালিত হয়ে আসছে।
১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ সহ পুরো বিশ্বব্যাপী উক্ত দিবসটি পালিত হচ্ছে। দেখা গিয়েছে, ৭২% ডায়াবেটিকে আক্রান্ত অথচ তারা জানেই না তাদের ডায়াবেটিস আছে বা শরীরে সুগার সমস্যা নিয়ে আস্তে আস্তে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
বিষয়টি খুবই দুশ্চিন্তার এবং ভাবনার বিষয়। এই ভাবনা থেকে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ‘এসো সচেতন হই সোসাইটি-এসই’ ডায়াবেটিস সচেতনতার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানে সংক্ষিপ্ত আলোচনা, ডায়াবেটিক সপ্তাহ পালন, দেশের বিভিন্ন জেলা, ঢাকা জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এবং সচেতনতামূলক আলোচনা করেছে।
আজকে জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকায় ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে পথচারীদের মাঝে আলোচনা এবং অন্যান্য স্থানে ডায়াবেটিসক রোগীদের কাউন্সিলিং, প্রি ডায়াবেটিক রোগী চিহ্নিতকরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
‘এসো সচেতন হই সোসাইটি-এসই’ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, জনস্বাস্থ্য পেশাজীবী ও সমাজকর্মী মাজহারুল ইসলাম পাবলিক হেলথ এর উপর দীর্ঘদিনের কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে জানান, একজন ডায়াবেটিস রোগীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ট্রিটমেন্ট বাবদ যে খরচ হয়ে থাকে, সেই পরিমান অর্থ সচেতনতায় ব্যয় করলে হাজার মানুষকে ডায়াবেটিক রোগী হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব। তিনি আরও জানান, একজন ব্যক্তি সুস্থ থাকা মানে রাষ্টের সম্পদ রক্ষা পাওয়া।
ডা. এসএম নওশের, ডা. মোহাম্মদ কবির উদ্দিন, ডা. লুৎফুর রহমান পাভেল’ সহ এসই এর সকল শুভাকাঙ্ক্ষী, সদস্য, নির্বাহী কমিটির সদস্য উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ডা. লুৎফুর রহমান পাভেল আলোচনার এক পর্যায়ে বলেন, ডায়াবেটিক রোগী বাচাঁতে দরকার চিকিৎসা, কিন্তু রোগী কমাতে প্রয়োজন সচেতনতা। তিনি আরও বলেন, শুধু ট্রিটমেন্ট নয়, সচেতনতা গড়ে তুলুন, ডায়াবেটিক থেকে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করুন।
ডায়াবেটিস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা তুলে ধরে ডা. এস এম নওশের বলেন, “সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সচেতন জীবনযাপনই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এছাড়া ডায়াবেটিস ও নিউট্রিশনের (পুষ্টি) মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। সঠিক পুষ্টির মাধ্যমে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা কমানো সম্ভব হয়।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com