শফিকুল ইসলাম বাদল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি :- | সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ এর বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহকরা। বিলিং সফটওয়্যার আপডেটকে ঘিরে ব্যাংক ও পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতাই এই দুর্ভোগের মূল কারণ বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ বিলের কাগজে সিল মেরে জানিয়েছে- বিলিং সফটওয়্যার আপডেটের কারণে আগামী ২৯/১২/২৫ পর্যন্ত জরিমানা ছাড়াই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করা যাবে। এ সংক্রান্ত নোটিশ জারি করা হলেও বাস্তবে চিত্র ভিন্ন। গ্রাহকদের অভিযোগ- ২৮ ও ২৯ ডিসেম্বর বিভিন্ন ব্যাংকে ঘুরেও তারা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারেননি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে- নতুন সফটওয়্যার আপডেট না হওয়ায় তারা পল্লী বিদ্যুতের বিল গ্রহণ করতে পারছেন না। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ যে স্বল্প সময়ের মধ্যে চিঠি দিয়েছে সেই সময়ের মধ্যে সফটওয়্যার আপডেট করা বাস্তবসম্মত ছিল না। নবীনগরে জনতা ব্যাংক সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ বিল গ্রহণ করলেও অতিরিক্ত গ্রাহকচাপ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও অনেক গ্রাহক বিল পরিশোধ করতে না পেরে ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে বিকাশ ও রকেটের মতো মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যমেও ওটিপি কোড না আসায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিল পরিশোধ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সফটওয়্যার আপডেটের জন্য ব্যাংক গুলোকে অফিসিয়ালি চিঠি দেওয়া হয়েছে। তবে ব্যাংক গুলো কেন তা সময়মতো বাস্তবায়ন করেনি সে বিষয়ে তারা অবগত নন। একই সঙ্গে তারা দাবি করেন- পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে সরাসরি বিল গ্রহণ করা হচ্ছে। তবে গ্রাহকদের প্রশ্ন—সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে একটি অফিসে বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে কীভাবে সেবা দেওয়া সম্ভব? ভুক্তভোগীদের মতে- এটি একটি স্পষ্ট প্রশাসনিক সমন্বয়হীনতার উদাহরণ। পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা অবিলম্বে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান এবং দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com