শফিকুল ইসলাম বাদল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) জেলা প্রতিনিধি | শনিবার, ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৭ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
তিতাস বেষ্টিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জনপদ গত কয়েক দিন যাবত ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে জুবুথুবু । শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে দরিদ্র ও মধ্যম আয়ের মানুষ ছুটছে ফুটপাতের গরম কাপড়ের দোকানে।
গত তিন চার দিন কুয়াশার জন্য সূর্যের দেখা মিলছে না, সূর্যের দেখা মিললেও তা সামান্য সময়ের জন্য। আবহাওয়া অফিস তথ্য সূত্রে আগামী ৩-৪ দিন ঘন কুয়াশা অবহত থাকবে। শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে ফুটপাতের গরম কাপড়ের কদর এখন তুঙ্গে। তবে এ সুযোগে বিক্রেতারা কাপড়ের দামও বেশি চাইছেন বলে এমন অভিযোগ করছে ক্রেতারা। উপজেলার সালাম রোড ও সমবায় মার্কেটের কয়েক জন দোকানী জানান- শীতের কারণে প্রতিদিন রাত ৯টার আগে বাজার ফাঁকা হয়ে যায়। শীতে থেকে বাঁচতে নতুন ও পুরাতন শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে ভীড় দেখা যায়। বিক্রেতা সাদ্দাম হোসেন জানান- বর্তমানে গরম কাপড়ের মার্কেটে নারী পুরুষ ও শিশুরা মিলে ভিড় করে পছন্দ মত শীতের কাপড় ক্রয় করছে। ২-৩শত থেকে শুরু করে ১২শত-১৫শত এমনি ২/৩ হাজার টাকা দামের কাপড়ও বিক্রি হচ্ছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধির সাথে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এক একটি কাপড়ের দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০ টাকা। তবে নিম্নবিত্ত বিশেষ করে দিনমজুর পরিবার গুলোর মানুষেরা নতুন গরম কাপড় কেনার সামর্থ্য না থাকায় ভীড় জমাচ্ছেন পুরাতন গরম কাপড়ের দোকানে।
এ দোকান গুলোতে স্বল্পমূল্যে পাওয়া যাচ্ছে সোয়েটার, জ্যাকেট, মাফলার, কোর্ট, প্যান্ট, কানটুপিসহ বিভিন্ন প্রকার শীতবস্ত্র। পাশাপাশি অভিজাত শীতবস্ত্রের দোকানগুলেতেও ভীড়ের কমতি নেই। কথা হয় ক্রেতা আমিনুল , দিনমজুর সাত্তার ও আক্কাস আলীর সাথে। তারা জানান- এ সব পুরাতন গরম কাপড়ের দোকান গুলো থেকে ১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকার মধ্যেই মোটামুটি ভালো মানের শীতের পোশাক কেনা যাচ্ছে। এ সব গরম কাপড় পাওয়া না গেলে আমাদের মতো গরীব মানুষরা গরম কাপড় কিনতে পারতো না। ফুটপাতের গরম কাপড় বিক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক, শরিফুল ইসলাম, আয়ুব আলী, শাহিন, আরশাদ, হোসেন মিয়াসহ অনেকে জানান- শীতকে সামনে রেখে আগে ভাগেই ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে গরম কাপড়ের বেল (বান্ডেল) সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রথম দিকে ক্রেতা না মিললেও পৌষের শুরুতে শীত বাড়ার সাথে সাথে ক্রেতাদের ভীড় বাড়ায় বেচাকেনা বেড়ে গেছে। তবে এক সপ্তাহ আগের দামের চেয়ে প্রতিটি কাপড়ের দামও বেড়েছে ৩০ থেকে ৫০টাকা এমনি ১০০টাকা পর্যন্ত। সব মিলিয়ে তীব্র শীতে ফুটপাতের গরম কাপড়ের কদর এখন তুঙ্গে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com