এম জি রাব্বুল ইসলাম পাপ্পু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : | রবিবার, ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৫২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কুড়িগ্রাম -০৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর প্রার্থীতা বাতিল করায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উত্তেজনা এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তার সমর্থকেরা।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সূত্র জানায়, জামায়াত প্রার্থী মাহাবুব আলম সালেহীর দৈত নাগরিকত্ব থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয় ।
রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্র আরো জানায়, গত শুক্রবার মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দ্বিতীয় কার্যদিবসে কুড়িগ্রাম-৩ আসনের মনোনয়নপত্র দাখিলকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই করা হয়।
এতে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিলকারী ৭ প্রার্থীর মধ্যে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহীর মনোনয়নপত্র স্থগিত ও বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত বিএনপির রংপুর বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আব্দুল খালেকের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তবে কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাকী প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। কুড়িগ্রাম ৪ আসনে দাখিলকৃত সবার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ জামায়াত নেতাদের অসাদাচরণের বিষয়টি স্বীকার করেন।
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহী বলেন, “আজ কাগজপত্র অধিকতর যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত দেয়ার কথা ছিল। তা না করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বায়াস্ট হয়ে ইন্টেনশনালি ভুল ডিসিশন দিয়েছেন। এই ডিসির অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। আমি উচ্চ আদালতে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে আমার মনোনয়নপত্র বৈধ করবো- ইনশাল্লাহ
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম রিটার্নিং কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, জামায়াত প্রার্থীর দৈত নাগরিকত্ব (ইংল্যাণ্ডের) নাগরিকত্ব থাকায় আইন অনুযায়ী তার প্রার্থীতা স্থগিত করা হয়েছিল। তবে আজ ৪ তারিখের মধ্যে তিনি বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় বিধি মোতাবেক তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে।
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “নির্বাচন বিধিমালার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রার্থীরা আপিল করার সুযোগ পাবেন আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত। উচ্চ আদালতে আপিলের মাধ্যমে প্রার্থীরা বৈধতা পেলে সেক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমে বাঁধা দেয়ার এখতিয়ার আমাদের নেই।
এ বিষয়ে জামায়াতের প্রার্থী মাহবুব আলম সালেহী বলেন, আমাদের কাগজপত্র না দেখেই (কুড়িগ্রামের ডিসি অন্নপূর্ণা দেবনাথ ) তিনি তার মতো ঘোষণা দিয়ে চেয়ার থেকে উঠে চলে গেলেন। তার মানে হল কারো প্রেসারের কারণে, অথবা অন্য কারো মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে তিনি এই ঘোষণা দিয়েছেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com