এস এম নওশের চিকিতসক বিশ্লেষক,কলামিস্ট | সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৯২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
একটা শিশুকে মানুষ বানাতে পাঠানো হয় স্কুলে।অথচ স্কুল গুলা যেন আজ ব্যবসা প্রতিসঠানে পরিনত হয়েছে।উচ্চ বেতন,বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম দিয়ে এই ফি সেই ফি নেয়া তো আছেই।তার উপরে অনেক স্কুল বাধ্য করছে বছরের শুরুতেই পুরা বছরেরব খাতা কলম স্টেশনারি স্কুল থেকেই উচ্চ মুল্যে কিনতে।অনেক স্কুল বাধ্য করে স্কুল ড্রেসের কাপড় স্কুল থেকে কিনতে। বোর্ড এর নির্ধারিত বই এর পাশা পাশি সহ শিক্ষার নামে প্রকাশনি গুলা থেকে টাকা খেয়ে পাঠ্য করা হয় আরো এক গাদা বই। তারপর বছর শেষে যখন এক টা শিশু পাশ করে প্রমোশন নিয়ে উপরের ক্লাসে উঠে তখন অভিভাবক দের থেকে পুন ভর্তির নামে এক গাদা টাকা নেয়া হয়।
এই টাকা স্কুল কতৃপক্ষ কোন খাতে খরচ করছে সেটার কোন জবাব দিহিতা নেই। শিক্ষকেরা বাধ্য করে তাদের কোচিং এ যেতে।নইলে ভয় দেখায় পাশ করাবেনা কিম্বা কম নাম্বার দেবে। একটা শিশু যদি ছোট বেলা থেকেই দেখে তার স্কুল এমন ব্যবসায়িক আচরন করছে তাহলে সে কি অই স্কুল থেকে ভালো কিছু শিখবে? আশার কথা একজন আইন জীবী হাই কোর্টে একটা রীট করেছেন বছর শেষে একই স্কুলে পুন ভর্তি ফির বিরুদ্ধে।দেখা যাক কি হয়।আমাদের একজন শিক্ষা উপদেসটা আছে।উনি গত দেড় বছরে এ দেশের শিক্ষা খাতে উল্লেখ যোগ্য কোন অবদান রাখতে পারেন নি। যা খুব ই দু:খ জনক
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com