শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

গোয়াইনঘাটে নামাজরত মুসল্লিদের উপর হামলা ও ভাঙচুর ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী পাল্টাপাল্টি মামলা

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি   |   বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪২ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গোয়াইনঘাটে নামাজরত মুসল্লিদের উপর হামলা ও ভাঙচুর ক্ষুদ্ধ গ্রামবাসী পাল্টাপাল্টি মামলা
৫৫

সিলেটের গোয়াইনঘাট সদর ইউনিয়নের গহড়া গ্রামে বায়তুন নুর জামে মসজিদে তারাবির নামাজের ইমাম নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন এবং ইট,পাথর নিক্ষেপে মসজিদের টাইলস ও গ্লাস ভাংচুর হয়েছে।

গ্রামবাসী জানান গত ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজের শেষ পর্যায়ে মুন্না আহমদ ও সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গহড়া জামে মসজিদে ও মুসল্লিদের উপর হামলা চালায়। এসময় মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জিনের আবাসন ও বেতন সংক্রান্ত তুচ্ছ বিরোধকে কেন্দ্র করে তারা বেপরোয়া ভাঙচুর করে।

গ্রামবাসী আরও অভিযোগ করেন, সিরাজুল ইসলামের নির্দেশে মুন্না আহমদ ধারালো অস্ত্র দিয়ে ফয়ছল আহমদ নামক এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেন। বর্তমানে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি গোয়াইনঘাট থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে মোট ২৩ জনকে আসামি করে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

এ ঘটনায় গোয়াইনঘাট থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মোঃ কবীর হোসেন বলেন,গহড়া বায়তুল জামে মসজিদে সূরা তারাবি না খতম তারাবির নামাজের ইমাম রাখা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। উভয় পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে।

মামলা তদন্তাধীন আছে।
এদিকে আজ সিলেট অনলাইন প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় প্রতিনিধি ও গ্রামবাসী জানান, একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে। তারা গণমাধ্যমকর্মীদের সরজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে পলাতক বাকি ২০ আসামিকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।

সমস্থ অভিযোগ অস্বীকার করে অপরপক্ষের জিয়াউল ইসলাম বলেন, মসজিদে তারাবির নামাজ ও গ্রামবাসীর সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। মূলত আলীম উদ্দিন গংদের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি নদীর লিজ নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত শুক্রবার রাতে তারাবির নামাজের পরে আলীম উদ্দিন গংদের সাথে কথা-কাটাকাটি এক পর্যায়ে মসজিদে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com