শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

থানায় মামলা না নেয়ায় নিরবে নিভৃতে কাঁদছে বিচারের বাণী, লজ্জায় গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টা

আনোয়ার হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ   |   বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৬৭ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

থানায় মামলা না নেয়ায় নিরবে নিভৃতে কাঁদছে বিচারের বাণী, লজ্জায় গৃহবধূর আত্মহত্যার চেষ্টা
১৩০

গাইবান্ধায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা থানা গ্রহণ না করায় নিরবে নিভৃতে কাঁদছে বিচারের বাণী। লজ্জায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরুন নাহার বেগমের বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা।

নুরুন নাহার বেগম সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের উজির ধরনীবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি
বৃহস্পতিবার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। অভিযোগে
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণ ও ন্যায় বিচারের দাবি জানিয়ে পুলিশসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান।

ভুক্তভোগী গৃহবধূ নুরুন নাহার বেগম লিখিত বক্তব্যে জানান, তিনি তার নিজ গ্রামের প্রতিবেশী এএইচএম জিয়াউর রহমান খানের বাড়িঘর ও জমিজমা দেখাশোনা করতেন। জিয়াউর রহমান খানের সাথে একই গ্রামের প্রতিপক্ষ কবির খান পলাশ, স্বচ্ছ মিয়া, ইমতিয়াজ খান রওনক ও আব্দুস সাত্তারের বিরোধ ছিল। তারা এএইচএম জিয়াউর রহমান খানের জমির মাটি কেটে বিক্রি করার ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়। ওই মামলার সাক্ষী হন নুরুন নাহার বেগম। এ ঘটনায় এএইচএম জিয়াউর রহমান খানকে শায়েস্তা করতে নুরুন নাহার বেগমকে দিয়ে তাকে ধর্ষণ মামলায় ফাঁসাতে তারা তাকে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ৫০ হাজার টাকার প্রস্তাব দেন। পরেরদিনও তার শাশুড়িকেও একই প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু নুরুন নাহার বেগম কোনোভাবে রাজি না হলে ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তাকে বাড়িতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে বেদম মারপিট করে একটি ঘরে তালা দিয়ে রাখে। তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জাতীয় জরুরী মোবাইল সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে থানা পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নুরুন নাহার বাদি হয়ে কবির খান পলাশ, স্বচ্ছ মিয়া, ইমতিয়াজ খান রওনক, আব্দুস সাত্তার, কেয়া বেগমসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় অভিযোগ দেন। কিন্তু সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন অভিযোগ গ্রহণ না করে উল্টো তাকে ‘তুমি তো সাপের লেজে পা দিয়েছো! তোমার নিরাপত্তা কে দেবে, মীমাংসা করে নেও’ বলে তাকে থানা থেকে বের করে দেন। এতে লজ্জায় অপমানে নুরুন নাহার বেগম বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন।

বিষয়টি স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। তিনি চরম মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু ন্যায় বিচারের জন্য দাবি জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে তার স্বামী আব্দুর রশিদ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com