ইবি প্রতিনিধি: | মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | ২৯০ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’র আয়োজনে আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও বিদায় সংবর্ধনা-১৪৩২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ মে) দুপুর ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনের (টিএসসিসি) ১১৬ নং রুমে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।
বাংলা বিভাগের ১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের নওশীন পর্নিনী সুম্মা এবং একই বিভাগের ২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল মাজেদ সাগরের যৌথ সঞ্চালনায় প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক খান মাজহারুল হক লিপু। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কমিউনিকেশন এন্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান, ‘আবৃত্তি আবৃত্তি’র সভাপতি গোলাম রাব্বানী, সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান এবং সংগঠনের অন্যান্য শিক্ষার্থীবৃন্দ।
আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মারজিয়া ইসলাম, দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জিন্নাত মালিয়াত সীমা এবং তৃতীয় স্থান অর্জ করেন আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের খন্দকার আহনাফউজ্জমান। বিজয়ীদের সার্টিফিকেট, ক্রেস্ট এবং নগদ অর্থ পুরষ্কার দেয়া হয়। এছাড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
বিদায়ী অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে সংগঠনের সভাপতি গোলাম রাব্বানী বলেন, “সংগঠন থেকে বিদায় বলতে সম্পর্ক ছিন্ন নয়, আমরা সবসময় পাশে আছি, ক্যাম্পাসে আমার প্রথম সংগঠন ছিলো আবৃত্তি আবৃত্তি। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সদস্য হওয়ার পর থেকে অনেক গুনী সিনিয়র, ছোট ভাই, বন্ধু পেয়েছি। তাদের সকলের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।ক্যাম্পাসে আমি এক্সট্টা কারিকুলাম যা যা শিখেছি তার প্রায় ৭০ শতাংশ আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠন থেকে পাওয়া।”
এসময় অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান বলেন, “একজন শিল্পীর মূল কাজ হলো সকল কথা বা শব্দকে মনে গঠন করা। মানুষের পার্থক্যভেদে আমরা বিভিন্ন ভাষায় কথা বলি। আবৃত্তি আমাদের অবস্থা ভেদে কথা বলতে শেখায়। আবৃত্তি হতে হলে প্রথমে শব্দকে উপলব্ধি করতে হয়, তারপর কণ্ঠে ধারণ করতে হয়। তবেই সেটা সার্থক আবৃত্তি হয়ে ওঠে।”
এসময় প্রধান বিচারক বলেন, “২২ বছর আগে এই টিএসসিসি করিডরে আবৃত্তি আবৃত্তি সংগঠনের সাথে পথচলা শুরু হয়েছিল। সবাই খুব দীপ্ত, সুরভিত কণ্ঠে আবৃত্তি করেছে। আবৃত্তি একটা পুরোহিত বিদ্যা। আবৃত্তি হতে হলে কবিতার পার্থক্যভেদে কণ্ঠ এবং শব্দের মধ্যে টান রাখতে হবে।”
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com