শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

গাইবান্ধায় কোটা বিরোধী আন্দোলনে আ’লীগ-বিএনপি অফিসে পাল্টাপাল্টি হামলা

আনোয়ার হোসেন   |   বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৮০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গাইবান্ধায় কোটা বিরোধী আন্দোলনে আ’লীগ-বিএনপি অফিসে পাল্টাপাল্টি হামলা

গাইবান্ধায় আ’লীগ-বিএনপির অফিসে পাল্টাপাল্টি হামলা জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।কোটাপদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে গাইবান্ধায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। হামলায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক,মেয়র মতলুবুর, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মৃদুল মোস্তাফিজ ঝন্টু সহ অনেকে আহত হন। এছাড়াও সাংবাদিক ও আন্দোলনকারীসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১৭ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে অগ্নি সংযোগ করেন শিক্ষার্থীরা। এর আগে বেলা ১১টায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থী একত্রিত হয়ে একটি মিছিল বের করে। মিছিলটি শহরের বড় মসজিদ থেকে বের হয়ে প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে ডিবি রোডের এসপি অফিসের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করে। মিছিলটি আবারো বড় মসজিদ থেকে ঘুরে রেলগেটে এসে বিক্ষোভ করতে থাকে। এ সময় শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার, হাতে লেখা পোস্টার নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন এবং রেলসহ শহরের সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ সময় আতংক এবং ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ জনগণ।

বিক্ষোভে ব্যানার পোস্টার হাতে শিক্ষার্থীরা ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘স্বাধীন এই বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘১৮ সালের পরিপত্র, পুনর্বহাল করতে হবে’, ‘কোটাবৈষম্য নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’, কোটা প্রথা নিপাত যাক, মেধাবীরা মুক্তি পাক’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। দাবি আদায় না হলে পরবর্তীতে সড়ক অবরোধের হুশিয়ারিও প্রদান করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘এই বৈষম্যমূলক কোটা প্রথা মানি না। কোটার কারণে মেধাবীরা সঠিক মূল্যায়ন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কোনো মেধাবী শিক্ষার্থী পরীক্ষায় ৮০ পেয়েও চাকরি পাবে না, আর কোটাধারীরা সহজেই চাকরি পাবে, এই বৈষম্য সংবিধান পরিপন্থি।’

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘কোটা পদ্ধতি চালু থাকলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সব জায়গা অমেধাবীদের দখলে চলে যাবে, বেড়ে যাবে দুর্নীতি। দেশ স্বাধীন হয়েছে বৈষম্য রোধ করতে কিন্তু কোটা পদ্ধতি সেই বৈষম্য সৃষ্টি করছে। আমরা এই বৈষম্য বন্ধের আন্দোলন করছি। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেয়া হবে না আমরা আন্দোলন অব্যাহত রাখবো।’ এক পর্যায়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা আওয়ামী লীগ অফিসে প্রথমে ভাঙচুর শুরু করেন তারা। পরে চত্বরের ৭ থেকে ৮টি মোটরসাইকেলে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের জানালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারসেল নিক্ষেপ করলে শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যান। পরে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে পাল্টা হামলা চালিয়ে অফিস ভাঙচুর ও অগ্নি সংযোগ করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এর ফলে শহরের দোকানপাট ও যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। শহরজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com