শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

দুর্বৃত্তদের আক্রমণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ধ্বংসস্তুপ

সফিকুল ইসলাম বাদল:   |   মঙ্গলবার, ০৬ আগস্ট ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৫৬ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

দুর্বৃত্তদের আক্রমণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ধ্বংসস্তুপ

সরকার পদত্যাগের প্রধানমন্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজয় উল্লাসকালে সদর থানায় ভাংচুর, অগ্নিকান্ড ঘটিয়ে লুটপাট করে ধ্বংসস্তুপে পরিনত করেছে স্থানীয় দুবৃত্তরা। গতকাল সোমবার (৫ আগষ্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় থেকে রাতব্যাপী এই সংঘর্ষের সূত্রপাত ঘটে যা (৬ আগস্ট) মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত চলে।সরেজমিনে দেখা যায়, সারা বাংলাদেশের ন্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও চলছিলো বিজয় উল্লাস।

বিকাল ৪ টায় মিছিলে উল্লাস পালন করে চলে যায় আন্দোলনকারীরা। এর পর স্থানীয় বিক্ষুদ্র একটি দল ক্রোধান্বিত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় আক্রমণ করে বসে। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি আসলাম হোসেনসহ থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা থানা ভবনে অবস্থান করছিলেন। আক্রমণকালে মাইক দিয়ে থানায় আক্রমণ না করা কথা জানায়। মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয় আপনারা কেউ থানায় আক্রমণ করবেন না।

আপনাদের মিছিল চালিয়ে যান। পুলিশ আপনাদের বন্ধু।কিন্তু আক্রমণকারীরা এই কথার তোয়াক্কা না করে থানায় ভাংচুর করে এবং আগুন লাগিয়ে দেয়। তাছাড়া থানা গেটের বাহিরে থাকা কয়েকটি গাড়িতে আগুণ ধরিয়ে দেয়। তখন থানার গেট ভাঙচুর করে এবং থানার গেটের ভিতর একটি বড় রেশনে কারগ্রো ট্রাকে আগুন লাগিয়ে দেয়। এরপরই আক্রমণকারীদের হাত থেকে নিজের আত্মরক্ষার্থে থানার ভিতর থেকে একদিকে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুঁড়ে আর অন্যদিকে আন্দোলনকারীরা পুলিশদের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে।এতে বেশ কয়েকজনের আহত হয়। এক পর্যায়ে সেনাবাহিনীর ৪-৫টি দল সদর থানায় আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তখন সেনাবাহিনী একজন সদস্য আন্দোলনকাীদের শান্ত করতে থানা মাইকে ঘোষণা দিচ্ছিলো।এক পর্যায়ে পুলিশ থানা ত্যাগ করার সুযোগ দিলে সদর থানার ওসি আসলাম হোসেনের নেতৃত্বে থানায় আটকে থাকা পুলিশ রাত সাড়ে ৮ টায় থানা থেকে বেরিয়ে যায়। এরপরই দুর্বৃত্তরা শুরু করে লুটপাট। থানার ভিতরের কয়েকটি স্থানের আগুন লাগায় এবং কিছু পুলিশ সদস্যদের সামনেই লুটপাট করে।

পুলিশের আবাসিক ও হোস্টেলগুলোতে লুট করে। পরে এসব ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। স্থানীয়রা বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার পুলিশের প্রতি শহরবাসী বিশেষ করে দিন মজুর ও ড্রাইভাররা ক্ষুব্ধ। সেই ক্ষোভ থেকেই পুলিশের উপর আক্রমণ করেছে। তবে আন্দোলনকারীদের মধ্যে অনেকেই থানা রক্ষা করার চেষ্টা করেছে। যারা লুটপাট করেছে তারা আন্দোলনকারী নয় বলে জানান।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com