নাজমুল হাসান: | রবিবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট | ১০২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
শুক্রবার (০৪ এপ্রিল) দুপুর ১ টায় উপজেলার পৌরসভা এলাকায় ২নং ওয়ার্ড ভিংলাবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে কাকুলী বেগম (৫০), স্বামী- অরুণ স্বর্ণকার এর পরিবারের সাথে একই গ্রামের পাশের বাড়ির মোঃ সোহাগ এবং রাসেলের পরিবারের মধ্যে পুকুরের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার পুকুরের পানি সেচে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের সঙ্গে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়।
এরই এক পর্যায়ে কথা কাটাকাটির মধ্যে উভয় উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতির হয় এবং লাঠিসোঁটা, ইট পাটকেল মারতে থাকে সোহাগের পরিবার। উভয় পক্ষকের ৭/৮ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। পরবর্তীতে দুই পক্ষ দেবিদ্বার থানায় পৃথক দুটি মামলা করেন।
বিবাদী পক্ষের আসামিরা হলেন, ১। মোঃ সোহাগ (৪৫), পিতা- মৃত মতি মিয়া, ২। মোহাম্মদ রাসেল (৩৭), পিতা-মৃত সিরাজ মিয়া ৩। মোহাম্মদ আলী (৩৫) ৪। মোঃ আব্দুল (৪৫), উভয় পিতা- মৃত মালেক মিয়া, ৫। মো: কাইয়ুম (২৬), মাতা- আমিনা বেগম, ৬। ডালিম (২৫), পিতা মো: জয়নাল, ৭। মোসা: মনোয়ার বেগম (৪০), স্বামী মো: জুলহাস মিয়া, সবাই ভিংলাবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা।
বাদী পক্ষের কাকলী বেগম বলেন, আমারও বিবাদীর বাড়ি পাশাপাশি। বিবাদীর সাথে আমাদের বাড়ির পারিবারিক বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিলো। দুই মাস পূর্বে পুকুর নিয়া উভয় পক্ষকের মারামারি হয়। গত শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে পাশ্ববর্তী সোহাগের পরিবারের সাথে পূর্বের বিষয় নিয়ে আমাদের কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিকল্পিত ভাবে হাতে লাঠি সোটা নিয়ে আমাকে সহ আমার স্বামী, ছেলে, মেয়ে এবং মেয়ের জামাইর উপর আক্রমণ করে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম করে বিবাদীরা আমার বসতঘর এবং বসত ঘরের ভিতরে থাকা আসবার পত্র ভাঙচুর করে। যাহার ফলে আমার আনুমানিক ৮০ হাজার টাকার আসবাবপত্র ভাংচুর করে। মামলার ১নং আসামি সোহাগ আমার মেয়ে তাসলিমা আক্তারের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন টান দিয়ে ছিড়ে নিয়া যায়, যাহার বাজার মূল্য ৭০ হাজার টাকা। পরবর্তীতে মোঃ সোহাগ আমার মেয়েকে যখন আঘাত করে তখন আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে মেরে আমার গলায় থাকা এক লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন ছিড়ে নিয়ে যায়।
আমাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করেন। সেই সুবাদে আমরা দেবিদ্বার থানায় গিয়ে সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে এবং আমার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আইনের আশ্রয় নেই।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com