পটুয়াখালীর বাউফলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংঘর্ষে মনিরুল ইসলাম শাহীন (৪২) নামে এক যুবলীগ কর্মী নিহত হয়েছে। তিনি মদনপুরা ইউনিয়ন যুবলীগের একজন কর্মী ছিলেন। সোমবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার মদনপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শাহীনের বোন জায়েদা বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসক জানান, হামলার শিকার শাহীনকে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদিকে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, জনতা ভবন, পৌরসভা কার্যালয়, পৌর মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলের মুসলিমপাড়ার বাসভবন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফারুকের বাংলাবাজারস্থ বাসভবন, পৌর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুল ইসলাম খান রিয়াদের গার্লস স্কুল রোডস্থ বাসভবন।
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক (একাংশ) সফিকুল ইসলামের হাসপাতাল রোডের বাসভবন ও তার এক ভাড়াটের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, এমপি আ স ম ফিরোজের সাবেক এপিএস রফিকুল ইসলামের কনকদিয়া বাজার সংলগ্ন বাসভবন, একই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিন হাওলাদারের বাসভবন, নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মহাসিনের বাসভবনে অগ্নি সংযোগ ও ভাঙচুর করে।
এছাড়াও কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজারের ফয়সাল গাজীর একটি মুদির দোকান ও একটি গুদাম, কেশবপুর ইউনিয়ন আ’লীগের অফিস, আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাজারে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দাশপাড়া ল্যাড়া মুন্সীর পুল এলাকায় ৭-৮ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করে। কালিশুরী এলাকায় উত্তম নামের এক আওয়ামী লীগ নেতার চোখ তুলে ফেলে উত্তেজিত জনতা।
এছাড়াও উপজেলা পরিষদ চত্বর, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ও ইঞ্জিনিয়ার ফারুক তালুকদার মহিলা কলেজ ও পৌর কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪টি ম্যুরাল ভাঙচুর করে। উত্তেজিত জনতা সোমবার দুপুর আড়াইটা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বাউফল থানা ঘেরাও করে রাখে।