| মঙ্গলবার, ০১ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৪৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুর থেকে আব্দুস সালাম মোল্লা। ফরিদপুরের অম্বিকাপুর দিরাজতুল্লাহ বাজারস্থ মৃতু আহমেদ শেখের ছেলে আহমেদ শেখের ছেলে শাজাহান শেখ(৫০) জামাল প্রামানিকের ছেলে আবুবক্কর (৪৫)এর ১৮২নংহাল৪৩৯নং৬ শতাংশ জায়গা, সাবেক এলজিডি মন্ত্রী খন্দকারমোশারফ হোসেনের ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান মাহাতেশাম বাবুরের আশীর্বাদ পুস্টোএবং স্থানীয়৯৫℅ লোকের গৃনিত ফরিদপুর সদর আমজাদ মল্লিকের ছেলে হাসমত মল্লিক( ৬২)সিদ্দিক মল্লিকের ছেলে ওয়াহিদ মল্লিক (৩৫)পেশিশক্তির প্রভাবে আইডি বিহিন দুটি পরিবারে জন্য অন্যের জমিজোরপূর্বক দখল করে দখল করে রাস্তা নির্মাণ করে।
এলাকাবাসীর চাপে রাস্তাটি খুলে দেওয়া হয়। রাস্তাটি ২০১৬ সালে জেলা জেলা পরিষদ বলে খ্যাত রাস্তা নির্মাণ করে আদো জেলা পরিষদের রাস্তা নয়।
আহমেদ শেখের ছেলে শাজাহান শেখ(৫০) জামাল প্রামানিকের ছেলে আবু বকরের (৪৫)এর ১৮২নংহাল৪৩৯নং৬ শতাংশ জায়গা, সাবেক এলজিডি মন্ত্রী খন্দকারমোশারফ হোসেনেরভাই উপজেলা চেয়ারম্যান মাহাতেশাম বাবুরের আশীর্বাদ পুস্টস্থানীয় চোর মদোতদাতা মৃত আমজাদ মল্লিকের ছেলে হাসমত মল্লিক( ৬২)সিদ্দিক মল্লিকের ছেলে ওয়াহিদ মল্লিক।
দেখা গেছে, ফরিদপুর সদরে দিরাজতুল্লা গ্রামে পাকিস্তান আমলে রাস্তাটি শত শত পরিবার যাতায়াত করে,সে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়।অন্যের জমি দখল করে দুটি পরিবারের জন্য আহমেদ শেখের ছেলে শাহজাহান শেখের জামাল পরামানিকের ছেলে আবুবক্কারের জায়গার উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে।
ভূমিদস্যুদের কবল অসহায় এলাকাবাসী শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফরিদপুর সদর উপজেলার অম্বিকাপুর ইউনিয়নের দিরাজতুল্লাহ মাতুব্বর ডাঙ্গী বাজারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে হাসমত আলী মাস্টার ও তার ভাতিজা ওয়াহেদ মল্লিক অবৈধভাবে দীর্ঘ দিন যাবত পেশী শক্তির মাধ্যমে চাপ প্রয়োগ করে, জীবন নাশের হুমকি দিয়ে, জোর পূর্বক আমাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অবৈধ ভাবে আমাদের জায়গা জমি দখল করে।ফরিদপুর সদর ১ নং সড়কটি ভেরিবাধ থেকে দিরাজতুল্লা বাজার পর্যন্ত কাজ করে ঠিকাদার শামসুল আলম কন্টাকটার সেই রাস্তার একটি অংশ হাসমত মল্লিক ওওয়াহিদমল্লিক দুটি পারিবারে রাস্তা নির্মাণ করেএবং পাকিস্তানআমলের রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়।
১৯৯০ সালে ভেরিবাধের রাস্তার রড আসমত মল্লিক চুরি করে এবং ব্যাপক মারধরখায়। এলাকার চুরি করা গরু হাসমত মল্লিকের কাছে আনে এবং গরু বিক্রির রশিদ দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তা বলেন, ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে ১৪৩ নং খালাসি দূর্গাপুর মৌজা , খতিয়ান নং- ১২১, দাগ নং-৪৩৭, সাব কবলা দলিল ওয়াহেদ মল্লিক এর কাকার কাছ থেকে তার নাম কুদ্দুস মল্লিক সমস্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমরা দখলে যেতে পারছি না। এর প্রতিবাদ করায় আমার নামে চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎ ও মারামারির অভিযোগে মিথ্যা মামলা করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন হাসমত আলী মাস্টার ও তার ভাতিজা ওয়াহেদ মল্লিক। সম্মেলনে সংবাদ সম্মেলনে এক বক্তা বলেন, ২২ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে ১৪৩ নং খালাসি দূর্গাপুর মৌজা , খতিয়ান নং- ১২১, দাগ নং-৪৩৭, সাব কবলা দলিল ওয়াহেদ মল্লিক এর কাকার কাছ থেকে তার নাম কুদ্দুস মল্লিক সমস্ত কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও আমরা দখলে যেতে পারছি না। এর প্রতিবাদ করায় আমার নামে চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎ ও মারামারির অভিযোগে মিথ্যা মামলা করে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছে হাসমত আলী মাস্টার ও তার ভাতিজা ওয়াহেদ মল্লিক।
এলাকাবাসী সুশীল সমাজ প্রকৃত জমির মালিক তাদের কে হয়রানি বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের জোর দাবি করছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com