মাসুদ রায়হান | শনিবার, ১০ মে ২০২৫ | প্রিন্ট | ২৯৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর উপজেলার মধ্যে সংযোগ স্থাপন কারি একমাত্র সড়ক যেটা কেশবপুর উপজেলার ঘড় ভাঙ্গা বাজার থেকে নেহালপুর টু চিনেটোলা সড়কের সাথে সংযোগ স্থাপন হয়েছে বাটবিলা গ্রাম নামক স্থানে।
মনিরামপুর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের কমপক্ষে ৫ টি ইউনিয়নের কয়েক লক্ষ মানুষের কেশবপুর উপজেলায় যাওয়ার সহজ একমাত্র এই সড়ক টি। এই রাস্তাটি ইটের সলিং থাকা অবস্থা থেকে দুই উপজেলার মানুষ এই রাস্তাটি ব্যবহার করে আসে।
কিন্তু রাস্তার দুই পাসে অপরিকল্পিত ভাবে মৎস্য ঘর তৈরি করে রাস্তাটিকে মৎস্য ঘেরের ভেড়ি বাধ হিসেবে রাস্তা ছাড়া রাস্তার দুই পাস উচু করে বাদ দিয়ে মাছ চাষ করায় বর্ঘা মৌসুমে পানি নিস্কাসন না হতে পেরে রাস্তায় পানি জমে থেকে সেই ইটে সলিং নষ্ট হয়ে কয়েক বছর মানুষের চলাচলের ওয়ান উপযোগী হয়ে পড়েছিল।
দীর্ঘ কয়েক বছর পর যখন সেই রাস্তাটি পিচের রাস্তায় রুপান্তরিত হচ্ছে ঠিক সেই সময় ও উক্ত রাস্তার দুই পাসের মৎস্যঘের ব্যবসায়ীরা তাদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য রাস্তার দুই পাস নিজস্ব জমিতে আলাদা ভেড়ি বাধ না দিয়ে সরকারি পাকা রাস্তার দুই পাস মাটি দিয়ে পিচের রাস্তা থেকে তাদের কাজে ব্যবহৃত ভেড়ি কমপক্ষে দেড় দুই ফুট উচু করে মাটি দিয়ে বাধ দিয়েছে।
যেটা ভবদহ অঞ্চলের মৎস্যঘের নীতিমালা ২০১৯ অনুযায়ী বেআইনি ও দন্ডনিয় অপরাধ। সাধারণ পথচারিরা জানান গত কয়েক বছর ধরে যে ভোগান্তি ভোগ করেছি এখন রাস্তা পাকা হয়েও সেই ভোগান্তি ভোগ করতে হবে যদি রাস্তার দুই পাস পিচ থেকে নিচু না করে, কারন হিসেবে তারা বলেন বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানি রাস্তা থেকে অপসারণ হবেনা যদি কিনা রাস্তার দুই পাস নিচু না করে, সাধারণ মানুষ ও পথচারিরা বিষয় টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন যাতে করে বৃষ্টির আগেই এই সমস্যার সমাধান করে তা না হলে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে সরকার যে রাস্তা মানুষের উপকারের জন্য বানিয়েছে সেটা সাধারণ মানুষের কোন উপকারে আসবেনা উপকারে আসবে রাস্তার দুই পাসের মৎসঘের ব্যবসায়ীদের।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com