এস এম নওশের | শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৯৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
সচিবালয় হল একটা দেশের প্রান ভোমরা।এখান থেকেই দেশের রাস্ট্রীয় সকল সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।সচিবলয়ের স্থাপনা হল রাস্ট্রের সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।এই সচিবালয়ে আগুন এটি কোন সামান্য ঘটনা নয়।এই ঘটনা বুঝিয়ে দিচ্ছে দেশ কত টা নাজুক পরিস্থিতি তে আছে।
দেখলাম একজন নেভাল অফিসার বেশ জোর দিয়ে বলছেন এটা নিছক কোন দুর্ঘটনা নয়।ষড়যন্ত্র বা নাশকতা।খুব।আমিও মনে করি এটা নেহায়েত কোন সাধারন অগ্নি কান্ড নয়।আমরা দেখলাম ঘটনা ঘটার পর সরকারের ভেতর সমন্বয়হীনতা।একটা সচিবালয়ে এরকম ভাবে আগুন লেগেছে স্বরাস্ট্র উপদেস্টা নিজে একজন আর্মি জেনারেল হয়ে সেনাবাহিনি কে এই কাজে যুক্ত করতে পারেনি।
ফায়ার সার্ভিস যে সব ধরনের আগুন নেভাতে যে দক্ষ নয় সেটা অতীতে বহুবার প্রমান হয়েছে।গতকাল একজন অবসর প্রাপ্ত কর্নেলের বক্তব্য শুনলাম।তিনি বললেন সচিবালয়ে কয়েক জায়গায় আগুন লেগেছে।আগুনের শিখার রঙ দেখে উনার মনে হয়নি যে এই আগুন কোন সাধারন শর্ট সার্কিট কিম্বা কিম্বা সিগারেটের আগুন থেকে কাগজ পোড়া থেকে সৃস্ট।উনি যেহেতু সামরিক বিশেষজ্ঞ অবশ্যই উনার মতামতের গুরুত্ব আছে।
ইতিমধ্যেই ৪৮ ঘন্টা সময় পার হয়ে গেছে তাহলে এখন অবধি এর কারন তদন্ত করে জন সম্মুখে প্রকাশ করা হয়নি। একজন ফায়ার সার্ভিস কর্মী সেখানে নিহত হয়েছেন দ্রুতগামী ট্রাক চাপায়।এখন এই সময় অইখানে অই ট্রাক কি করছিল।কেন সেটা বেপরোয়া চলে গেল।অই ট্রাকে করেই কি দুর্বৃত্ত রা এসেছিল কিনা সেটা নিয়েও জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন।সচিবালয়ের আশ পাশে যে সব সিসিটিভি ফুটেজ আছে সেগুলা খুটিয়ে দেখা হোক।
সরকারী সংস্থা যদি মনে করে তারা এটার র্হস্য বের করতে পারবেনা প্রয়োজন হলে বিদেশি দক্ষ গোয়েন্দা সংস্থার সাহায্য চাইতে পারেন জনমনে প্রশ্ন উঠেছে যেখানে ফায়ার সার্ভিস সচিবালয়ের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় দ্রুত তম সময়ে আগুন নিভিয়ে ক্ষয় ক্ষতি কমাতে পারেনি সেখানে সাধারন জনগনের বাসা বাড়ি কিম্বা কলকারখানা বা অন্য প্রতিসঠানে আগুন লাগলে তারা কী করতে পারবে?
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com