হোসেনপুর কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি | সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৪৮ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
হোসেনপুর পৌর এলাকার সর্বত্র ভাগারে পরিণত হয়েছে। গতকাল রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) পৌর এলাকার ফল পট্রি, কাপড় পট্রি, হোসেনপুর মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের আশপাশের অংশ, পোস্ট অফিস সংলগ্ন, বিডিবিএল ব্যাংক, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও মিষ্টি পট্রি চৌরাস্তা এলাকায় ঘোরে দেখা যায় এসব জনবহুল স্থানে ময়লার স্তুপ পরে রয়েছে।

এসব ময়লার স্তুপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে সেখানে মাছি ভনভন করছে।পাশে বুড়িগঙ্গা নদীতে ময়লা ফেলার কারনে পানি ও পরিবেশ দূষিত হচ্ছে । এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী আতাউর রহমান,পথচারী মোফাজ্জল হোসেন, ব্যবসায়ী কামরুলসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা হলে তারা জানান গত ৩-৪ দিন যাবৎ পৌর এলাকার ময়লা নেওয়া হচ্ছে না।
২০০৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হলেও পরবর্তীতে এটি দ্বিতীয় শ্রেণির পৌরসভার স্বকৃীতি পেলেও অধ্যাবধি প্রতিদিনের ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ভাগার তৈরি করা হয়নি।
যে জন্য যত্রতত্র রাস্তার পাশে ময়লা ফেলে রাখা হয়। পৌর এলাকার অধিকাংশ এলাকায় যত্রতত্র ময়লা ফেলে রাখা হলে পরদিন সকালে একটি গার্বেজ পিকআপ দিয়ে ৪ -৫ জন পরিচ্ছন্ন কর্মী পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে বেইলি ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় ময়লা ফেলে নদের পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
সদ্য বিলুপ্ত হওয়ার কারণে পদচ্যুত ২ বারের মেয়র আব্দুল কাইয়ুম খোকন প্রথম বার নির্বাচিত হওয়ার পর যদিও ময়লা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট ডাম্পিং ষ্টেশনসহ সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলো। কিন্তু দ্বিতীয় বার বিজয়ী হওয়ার পর সে প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। বরং তখন তিনি জনবান্ধবহীন হয়ে ঢাকা কেন্দ্রীক হয়ে পরেন।
হোসেনপুর পৌর সচিব হাবিব উল্লাহ বলেন, পৌর এলাকার ময়লা আগে একজনের ব্যক্তিগত জায়গায় ফেলা হতো এখন তিনি সেখানে ময়লা ফেলতে না দেওয়ায় এ সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তবে গতকাল রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর ) এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে হোসেনপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক ফরিদ আল সোহান বলেন,বিষয়টি সমাধানের উপায় খোঁজা হচ্ছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com