মোঃ নাঈম মাহমুদ | শনিবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | ১৩৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
৭ই সেপ্টেম্বর (শনিবার) দিনাজপুর জেলাধীন হাকিমপুর উপজেলার হিলি বাজারে (প্রধান শিক্ষকের নিজের দোকানে) এই ঘটনা ঘটে। সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালে এইচএসসি ৩ টি পরীক্ষা বাতিল করা হয়।
এ সময় সরকারি নির্দেশে সকল শিক্ষার্থীকে তিনটি বিষয়ের টাকা (৪৯৫ টাকা) ফেরত দিতে বলা হয় নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কিন্তু পাইলট স্কুলের প্রধান শিক্ষক (মোঃ মোস্তফা কামাল) , তিনি সে টাকা শিক্ষার্থীদের ফেরত না দিয়ে নিজের কাছে রেখে দেন। ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুর্নীতি বেরিয়ে আসে।
সেটা থেকে বাদ যায়নি বাংলাহিলি পাইলট স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতি। বৈষম বিরোধী ছাত্র জনতার পর পর অভিযানে বেরিয়ে আসে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। এর আগে এক গোপন সূত্রে জানা যায় স্কুলের নির্মাণাধীন বিল্ডিংয়ের ইট তিনি তার বাসার কাছে ব্যবহার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি এর আগে ২০২৩ সালে সার্টিফিকেট জালিয়াতিতেও শাস্তি ( ১ মাস কারাদন্ড) ভোগ করেন। ছাত্র জনতা জানান, প্রধান শিক্ষক (মোঃ মোস্তফা কামাল) তার দুর্নীতি ঢাকতেই আজকে সকল শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দিবে এই আশ্বাসে আসতে বলেন।
টাকা বিতরণের সময় প্রধান শিক্ষক সরাসরি ধরা পড়েন ছাত্র-জনতার হাতে। ছাত্র জনতা তাকে প্রশ্ন করেন ২০২২ সালের ফেরত দেওয়া টাকা আপনি এতদিনও কেন দেন নাই, প্রশ্নের জবাবে তিনি গণমাধ্যমকে কিছু জানাননি। ছাত্র জনতা আরও বলেন, আমার তাকে যত প্রশ্ন করেছি তিনি আমাদের কোন জবাব দেননি।
আমরা চাই তার দুর্নীতির বিষয়গুলো সবার জানা দরকার। তারা জানান ,আমরা যেই প্রমাণ গুলো হাতেনাতে পেয়েছি সেগুলো আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কর্তব্যরত থানায় হস্তান্তর করব। তার পদত্যাগ এর দাবিতে দফায় দফায় আন্দোলন করছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com