আনোয়ার হোসেন | সোমবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৪ | প্রিন্ট | ৭২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
গাইবান্ধার কামারজানি ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম চলছে ভাড়া করা জরাজীর্ণ ভবনে। এই ভবনে নাগরিক সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে পড়ছেন সেবাপ্রার্থীরা। কখন যেন ছাদ ভেঙ্গে মাথায় পড়ে, এমন উৎকন্ঠা নিয়ে কার্যক্রম চললেও মিলছেনা নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ। গাইবান্ধা জেলা শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে ইউনিয়নটি অবস্থিত।
আয়তন ১১.৪৭ বর্গ কিলোমিটার। এর অধিকাংশ এলাকাই নদীর অভ্যান্তরে। এ ইউনিয়নের নেই নিজস্ব ভবন। এক সময়ে নিজস্ব ভবনটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে নদীর তীরে অবস্থিত একটি বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ ভবন ভাড়া নিয়ে কোনোমতে চালানো হচ্ছে কার্যক্রম।
এই ভবনে নাগরিক সেবা নিতে এসে উৎকন্ঠায় পড়েন সেবাপ্রার্থীরা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পরিষদে সেবা নিতে আসা প্রত্যাশীদের ভিড়। কেউ আসছেন বয়স্ক-বিধবা বা প্রতিবন্ধী ভাতার খবর নিতে, কেউ আবার টিসিবির পণ্যের খবর নিতে। আর জন্ম নিবন্ধনসহ অন্যান্য নাগরিক সেবা নিতে আসা মানুষের ভিড় লেগেই আছে।
তবে ইউনিয়ন পরিষদে আসতে ভয় পান সাধারণ মানুষ। কখন যেন ছাদ ভেঙে মাথায় পড়ে। পরিষদের পুরো ভবন-ই ভঙ্গুর অবস্থায় দাঁড়িয়ে রয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে খসে পড়ছে পলেস্তারা। এমন অবস্থায় চলছে কার্যক্রম। পরিষদ এর পার্শ্ববর্তী জনৈক ব্যক্তি জানান, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে সেবা নিতে এসে উৎকন্ঠায় পড়তে হয় কখন যেন ছাদ ভেঙ্গে মাথায় পড়ে।
জায়গা অধিগ্রহণ করে দ্রুত ভবন নির্মাণ করা জরুরী। উদ্যোক্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, ইউপির ভবনে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরের ইউনিয়ন পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ অফিসে এসে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। বিরম্বনায় পড়ছেন সেবাপ্রার্থীরাও। অনেক কষ্ট করে নাগরিক সেবা দিয়ে যাচ্ছি। ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান বলেন, পরিষদের জন্য জায়গা অধিগ্রহণ ও ভবন নির্মাণে প্রশাসনকে বলা হয়েছে। জায়গা অধিগ্রহণ করা হলে ভবন নির্মাণ সম্ভব হবে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com