শুক্রবার ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তার ভাঙন

আনোয়ার হোসেন   |   শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪   |   প্রিন্ট   |   ৪৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে অসময়ে তিস্তার ভাঙন

থামেনি তিস্তার ভাঙন। অসময়ে অব্যাহত ভাঙ্গনে উঠতি ফসলসহ বসতবাড়ি বিলীন হচ্ছে নদীগর্ভে। টানা ভাঙ্গনে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নদী পাড়ের শতাধিক পরিবার। গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের কছিম বাজারের দক্ষীণ দিকে হামিদ মেম্বরের বাড়ি হতে বাবুর বাজারের পূর্ব দিকে দখতর মাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় হতে দুই কিলোমিটার পর্যন্ত অর্ধ শতাধিক একর ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

ভাঙ্গনের মুখে পড়েছে আরও শতাধিক একর ফসলি জমি। বার বার নদী ভাঙ্গনের শিকার মানুষগুলো ঘরবাড়ি, ফসলি জমি হারিয়ে স্থানান্তরিত হতে গিয়ে এখন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। এসব মানুষ এখন বাঁধের ধারে, রাস্তার পাশে কেউ বা অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, হরিপুর হতে কছিম বাজারের দক্ষিন দিকে হামিদ মেম্বরের বাড়ি পর্যন্ত ভাঙ্গন প্রতিরোধে কাজ করা হয়েছে। অপর দিকে, বাবুর বাজারের পূর্ব দিকে দখতকের মাজার হতে দক্ষিনে কামারজানি পর্যন্ত প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নেয়া হলেও মাঝখানে দেড় হতে দুই কিলোমিটার ভাঙ্গন প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নেয়ায় অসময়ে ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে, চরের কারণে পানির প্রবাহ ফসলি জমি ও বসতভিটার দিকে ধাবিত হয়ে ভাঙ্গন ত্বরান্বিত করছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি নদীভাঙন ও বন্যার স্থায়ী সমাধানে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়া হলে অস্তিত্ব সংকটে পড়তে হবে। ভাঙ্গনের শিকার আশরাফুল মিয়া জানান, তারা চার ভাই ছিলেন। প্রায় ৬০ বিঘার মতো জমি ছিল। নদীর ক্রমাগত ভাঙ্গনে এখন শেষ সম্বল দুই বিঘা জমি আছে। তাও আবার ভাঙ্গনের মুখে।

এ জমিটুকু চলে গেলে পথে বসতে হবে। মতিন মিয়া বলেন, এবারের নদী ভাঙ্গনে মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি। বাপ-দাদার ভিটে হারিয়ে পুরোপুরি শেষ হয়ে গেলাম। কোথায় গিয়ে দাঁড়াব, কী করব কিছুই বুঝতে পারছি না। জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছেন, নদীভাঙ্গনরোধ একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তবে নদী সংরক্ষণের ব্যাপারে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com