| বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট ২০২৫ | প্রিন্ট | ১১৯ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
গাইবান্ধার সাঘাটা থানার সামনের পুকুর থেকে কলেজ ছাত্র সিজুর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যার অভিযোগে এনে আদালতে মামলা করেছেন সিজুর মা রিক্তা বেগম। মামলায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাদশা আলমসহ ১৫ জন আরও অজ্ঞাত ৪/৫কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। দায়েরকৃত মামলাটি সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাঈদ আল আসাদ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগষ্ট) দুপুরে মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন গাইবান্ধার সাঘাটা আমলী আদালতের বিচারক পাপড়ী বড়ুয়া।
মামলার আসামীরা হলেন, সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম, থানার এসআই মশিউর রহমান, এসআই মহসিন আলী, এসআই উজ্জ্বল, ডিউটি অফিসার এএসআই লিটন মিয়া, এএসআই রাকিবুল ইসলাম, এএসআই আহসান হাবিব, পুলিশ সদস্য হামিদুল ইসলাম, আজাদুল ইসলাম, নয়ন চন্দ্র, জয় চন্দ্র ও পুলিশ সদস্য ধর্ম চন্দ্র বর্মন এবং স্থানীয় যুবক সাব্বির হোসেন, ইউসুফ ও মমিনুলসহ অজ্ঞাত আরও ৪ থেকে ৫ জন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ২৪ জুলাই বিকেলে গাইবান্ধা সাব রেজিষ্ট্রি অফিস চত্বর থেকে সিজুকে সাঘাটা থানায় ডেকে নেয় পুলিশ। থানায় নির্যাতনের পর মৃতপ্রায় সিজুকে থানা সংলগ্ন পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। পরে পুকুরে লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে ওই পুকুর থেকে সিজুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাদীপক্ষের অপর আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহিদ হাসান জানান, বাদী পক্ষের আইরজীবীদের শুনানী গ্রহণ করে আদালতের বিচারক পাপড়ী বড়ুয়া মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। এসময় মামলাটি তদন্ত করার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন আদালত।
মামলার বাদী রিক্তা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি আদালতে মামলা করেছি। আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই।
নিহত সিজু মিয়া (২৫) গাইবান্ধা সদর উপজেলার গিদারি ইউনিয়নের বাগুরিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এবং গিদারি ইউনিয়ন ছাত্র শিবিরের সভাপতি ও ডিগ্রী ২য় বর্ষের কলেজ ছাত্র ছিলেন।
তবে পুলিশের দাবি, গত ২৪ জুলাই রাতে ধারালো ছুড়ি হাতে থানায় ঢুকে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মহসিন আলীসহ দুই পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত করে পুকুরে ঝাঁপ দেয় সিজু মিয়া। পরদিন পুকুরের কচুরিপানার মধ্য থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অজ্ঞাতনামা হিসেবে ওই ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনাটি তদন্তে চলতি মাসের প্রথম দিকে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে পুলিশ। কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ অপর সদস্যরা হলেন মোছাঃ রুনা লায়না অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক্রাইম ম্যানেজম্যান্ট ডিআইজি রংপুর রেঞ্জ ও গাইবান্ধার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: শরিফুল ইসলাম।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com