শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

চরভদ্রাসনে ভুবনেশ্বর খাল খননে অনিয়মের চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারীর নাম শ্রমিকের তালিকায়

:আব্দুস সালাম মোল্লা।   |   সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ১৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

চরভদ্রাসনে ভুবনেশ্বর খাল খননে অনিয়মের চেয়ারম্যানের  ব্যক্তিগত সহকারীর নাম শ্রমিকের তালিকায়
২২

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়নের ভুবনেশ্বর খাল খনন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের মাস্টার রোলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পিআইসি কমিটির সভাপতি ইয়াকুব আলীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মো. রওশন আলীর নাম শ্রমিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিয়মিত খননকাজে অংশ না নিয়েও শ্রমিক হিসেবে পারিশ্রমিক গ্রহণ করেছেন।

সোমবার প্রকল্পের মাস্টার রোল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, মো. রওশন আলীর নামে শ্রমিক হিসেবে তালিকাভুক্ত করে তার ব্যাংক হিসাবে ১৯ হাজার ৩৫০ টাকার চেক প্রদান করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষক দলের নেতা শেখ কবির অভিযোগ করে বলেন, “রওশন আলীকে কোনোদিন কোদাল হাতে খাল কাটার কাজ করতে দেখিনি। তিনি সব সময় চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। তাহলে তিনি কীভাবে খাল খনন প্রকল্পের শ্রমিক হিসেবে পারিশ্রমিক পেলেন? এ ধরনের কর্মকাণ্ড দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে। অন্যায়কারী যেই হোক, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী মো. রওশন আলী বলেন, “নিয়মিত কাজ না করলেও মাঝে মাঝে সাইটে গিয়ে ঘুরে এসেছি।” এছাড়াও আরো অনেকেই আছে বলে নির্বাচনযোগ্য সূত্রে জানা গেছে । সাইট সুপারভাইজার শংকর কাপালি বলেন, “রওশন মাঝে মাঝে সাইটে এসে ঘুরে গেছে। আমি অনুরোধ করি, ওকে নিয়ে কিছু করিস না।”

প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও ৪নং গাজীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী বলেন,রওশন আলী সাইডে প্রি ওয়ার্ক পোস্ট ওয়্যাকের কাজ করেছে তা ছাড়া কিছু লোক লাগে মাঝে মাঝে সাইডে গেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আমিনুল ইসলাম সাথে ফোনে অনেক বার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি ।

এ ব্যাপারে ট্যাগ অফিসার উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী জানান, তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব পিআইসির সভাপতি ও সুপারভাইজার এর। কাজ না করে কিভাবে অনারিয়াম নেয় এর সদুত্তর দিতে পারিনি।

এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক হাজিগঞ্জ শাখা ম্যানেজার জানান, ২০শে জুলাই সুবিধাবীদের ৮৮ টি চেকের মাধ্যমে প্রত্যেকে ৯৪৫০ টাকা প্রত্যেক চেক হোল্ডার কাছে বিতরণ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, প্রকল্পের শ্রমিক তালিকা, মাস্টার রোল ও পারিশ্রমিক প্রদানের বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।

Facebook Comments Box
Advertise with us
Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com