শফিকুল ইসলাম বাদল | সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট | ১৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
দেশীয় মাছের প্রজনন, জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং নদী-খাল-বিলের পরিবেশ রক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে অবৈধ রিংজাল ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধে জনসচেতনতামূলক অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে জেলা শহরের জগত বাজার ও নিউমার্কেট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ব্যবসায়ীদের নিষিদ্ধ রিংজাল বিক্রি, সংরক্ষণ ও ব্যবহার থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে মাছের প্রজনন মৌসুমে অবৈধ জালের ক্ষতিকর প্রভাব এবং দেশীয় মাছ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ সিরাজুল ইসলাম বলেন, “রিংজাল শুধু ছোট মাছ নয়, মাছের ডিম ও পোনাও নির্বিচারে ধ্বংস করে। এর ফলে নদী-খাল-বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আমাদের জলজ সম্পদ রক্ষা করতে হলে অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “দেশীয় মাছ রক্ষা করা মানেই আমাদের পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য এবং খাদ্যনিরাপত্তা রক্ষা করা। তাই এ বিষয়ে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই।”
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, সংগঠনের সদস্য খায়রুজ্জামান ইমরান, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, কমরেড নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ ও জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন জানান, অবৈধ জালের ব্যবহার বন্ধ এবং নদী ও উন্মুক্ত জলাশয়ে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, “জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ও অভিযান ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে।”
মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, অবৈধ রিংজালের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা গেলে দেশীয় মাছের প্রজনন বৃদ্ধি পাবে, নদী-খাল-বিলের পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় থাকবে এবং জলজ সম্পদ সংরক্ষণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com