সিনিয়র রিপোর্টার:আব্দুস সালাম মোল্লা | বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুরের চর চরঝাউকান্দায় পদ্মা নদীতে অবৈধ বাঁধ নির্মাণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও মাছ শিকারের করছে আওয়ামীপ্রভাব শালীরা।চরঝাউকান্দা পদ্মা নদীতে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদের জন্য এলাকাবাসীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফরিদপুর ৪আসনের সংসদ সদস্য নির্দেশ দিয়েছে :উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ উপেক্ষিত দীর্ঘদিন। উপজেলা প্রশাসন নিরব থাকায় প্রভাবশালীরা বাঁধ দেওয়া এলাকা হুমকি প্রদান করছে।
বাঁধ উচ্ছেদের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদ সদস্যের দেওয়া লিখিত নির্দেশ দীর্ঘ ১৮ দিন পেরিয়ে গেলেও চরভদ্রাসন উপজেলা প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ করছে ভুক্তভোগী আবেদনকারী। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তায় স্থানীয় অসহায় প্রকৃত জেলেরা চরম হতাশায় ও নিরাপত্তাহীন দিন কাটাচ্ছেন।
ফরিদপুর-৪ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য বরাবর দেওয়া স্থানীয় ভুক্তভোগীদের এক লিখিত আবেদন থেকে জানা যায়, চরভদ্রাসন উপজেলা চর ঝাউকান্দা ইউনিয়নের পদ্মা নদীর মাঝে চর শালিপুর এবং চর মির্জাপুর মধ্যবর্তী অংশে প্রভাবশালী একটি মহল অবৈধভাবে বাঁধ নির্মাণ করেছে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকেই একটি চক্র পদ্মা নদীর জলমহাল দখল ও নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছের অবাধ বিচরণ ও উৎপাদন ব্যাহত করে আসছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন— হরিরামপুরে সালাম খানের ছেলে সোহেল খান।চর সালেপুরে ওকেল মুন্সির ছেলে আজাহার মুন্সি। ওসমান খালাসির ছেলে মজো খালাসি। ঈমান বেপারীর ছেলে সহিদ। সোহেল খানের সহকারি আনজু মাঝি।, আজাহার মুন্সী, মজেম খালাসী, খোরশেদ প্রামানিকের ছেলে জিওপ্রামানিক।বদু মন্ডলের ছেলে মুক্তার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরিচ্ছন্ন কর্মীবাক প্রতিবন্ধীর ছেলে শাহীন লস্কর, দিপু, তাঁর ভাই ফেরদৌস খাঁ, শহীদ বেপারী। এবং সাবেক মৎস্য জীবি সমিতির সাবেক সেক্রেটারি কাশেম খাঁসহ আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চর শালিপুর ও চর মিজাপুরের সংযোগস্থলে অবৈধ বাঁধ দিয়ে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেখানে অবৈধ ফাঁদ পেতে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। এর ফলে পদ্মায় স্বাভাবিক মাছ উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সাধারণ জেলে সম্প্রদায় চরম বেকার হয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। স্থানীয়রা এই অপকর্ম বন্ধ ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
স্থানীয় অসহায় দুস্থ ছেলেদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আমলের নির্দেশ প্রদান করে।
জননন্দিত এমপি শহীদুল ইসলাম বাবুলের স্পষ্ট ও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার এই লিখিত নির্দেশনার পর ১৮ দিন অতিবাহিত হলেও চরভদ্রাসন উপজেলা প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন কিংবা বাঁধ উচ্ছেদে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা এখনও পদ্মা নদীতে তাদের আধিপত্য ও অবৈধ কার্যক্রম বজায় রেখেছে। স্থানীয় সচেতন মহল ও ক্ষতিগ্রস্ত জেলেরা দ্রুত এই বাঁধ অপসারণ করে পদ্মার স্বাভাবিক জলপ্রবাহ নিশ্চিতেরওঅসহায় দুস্থ জেলেদের অবাধে মাছ শিকারের দাবি জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাসরিন জাহান,চরভদ্রাসন উপজেলা কর্মকর্তা প্রশাসন ক্যাডার বদলি হওয়ায় শূন্য পদ থাকায় মৎস্য অধিদপ্তরে কোন নির্দেশ না দেওয়ায় কোন ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ওপর এক প্রসঙ্গে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে বিষয়টি বলার পরে কেন উদ্যোগে নি এর কোন সদ উত্তর দিতে পারেনি।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুলহাস হোসেন সৌরভকে প্রতিবেদক সংসদের নির্দেশ উপেক্ষিত কেন এর কোন সদ উত্তর দিতে পারেনি। আবেদনকারীদের কে অবৈধ বাধঁ দেওয়ার প্রভাব শালীরা হুমকি এর এর সদুত্তরে জোরালো ভূমিকা নিবেন বলে জানিয়েছে।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com