সিনিয়র রিপোর্টার :আব্দুস সালাম মোল্লা | বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ২৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে অবৈধ বালু ব্যবসা ও ভরাট কাজ নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই প্রভাবশালী পক্ষের চার মাসের বিরোধের অবসান ঘটেছে আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে। উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির এক নেতার মধ্যস্থতায় নগদ টাকার বিনিময়ে এই আপস-রফা সম্পন্ন হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে অবৈধ ব্যবসার এমন ভাগাভাগি মেনে নিতে পারছেন না দলটির তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্য বিষয়টি তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, গত জুলাই মাসে হাজীগঞ্জ বাজারের পশ্চিম পাশে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে একটি বালু ভরাটের কাজ শুরু করেন স্থানীয় কৃষক দল নেতা নজরুল মৃধা। কিন্তু কাজ শুরুর পরপরই চরভদ্রাসন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মেম্বার এতে বাধা দেন। এতে কাজটি বন্ধ হয়ে যায়। এতে দীর্ঘ চার মাস বন্ধ ছিল।
নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে একটি সালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে , চরভদ্রাসন উপজেলা বিএনপির সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির সদস্য কে এম ওবায়দুল বারী দিপু খান এই আপস-মীমাংসায় নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মেম্বারকে নগদ ২ লাখ টাকা দিতে হবে। এই আর্থিক লেনদেনের শর্তে বিরোধ নিষ্পত্তি করে কাজটি এককভাবে কৃষক দল নেতা নজরুল মৃধার বাস্তবায়নের বিষয়ে সমঝোতা হয়।এ ঘটনায় উপজেলা গেট সংলগ্ন এলাকায় এ প্রতিবেদকের সাথে সত্যতা শিকার করে কুদ্দুস মেম্বার বলেন, দুই লাখ না, আমাকে ১লাখ ৮০ হাজার টাকা দিবে।
এদিকে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের উপস্থিতিতে এভাবে টাকার বিনিময়ে অবৈধ কাজের বিরোধ মেটানো এবং আধিপত্য ভাগাভাগির ঘটনায় তৃণমূলের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দলের নাম ভাঙিয়ে কতিপয় নেতার এমন সিন্ডিকেট ও আর্থিক লেনদেনের কারণে দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সাধারণ কর্মীদের মতে, নেতারা মিলেমিশে অবৈধ ব্যবসা ভাগাভাগি করলে এলাকায় অপরাধ প্রবণতা ও চাঁদাবাজি আরও মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তারা অবিলম্বে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কঠোর সাংগঠনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com