সিনিয়র রিপোর্টার আব্দুস সালাম মোল্লা। | শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট | ৩৩ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পদ্মা নদীর স্বাভাবিক জলপ্রবাহ রুদ্ধ করে নির্মিত সেই আলোচিত অবৈধ বাঁধ অবশেষে উপজেলা প্রশাসন উচ্ছেদ করেছে । জনপ্রিয় পত্রিকা ‘বাংলা এফএম পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী সংবাদ প্রকাশের পর টনক নড়ে প্রশাসনের। অবশেষে উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে মুক্ত হলো পদ্মার জলপ্রবাহ, স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় জেলে ও নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মাঝে।
আরো বেশ কয়েকটি অবৈধ বাঁধ রয়েছে বলে বেশ কয়েকজন জানিয়েছে।
এসব অবৈধ বাঁধ গুলি দ্রুত অপসারণের দাবি জানিয়েছে।
এর আগে পদ্মার বুক চিরে প্রভাবশালী চক্রের অবৈধ বাঁধ নির্মাণ, মৎস্য প্রজনন ধ্বংস ও সাধারণ জেলেদের জীবিকা হরণের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্যের লিখিত নির্দেশ সত্ত্বেও ১৮ দিন নীরব ছিল প্রশাসন। প্রশাসনের এই রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তা ও ভুক্তভোগীদের অসহায়ত্ব তুলে ধরে ‘দৈনিক দেশের কন্ঠ পত্রিকায় “পদ্মা নদী অবৈধ বাঁধ :বন্ধ পানির স্বাভাবিক প্রবাহ”” শিরোনামে একটি সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
সংবাদটি প্রকাশের পরপরই বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরে আসে এবং এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জুলহাস হোসেন সৌরভের নেতৃত্বে চরঝাউকান্দা ইউনিয়নের চর শালেপুর ও চর মির্জাপুরের মধ্যবর্তী পদ্মার সংযোগস্থলে এক বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নদী আটকে আড়াআড়িভাবে তৈরি করা বাঁশের বেড়া, মাটির বাঁধ ও সূক্ষ্ম ফাঁদের জাল অপসারণ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হয়।
পত্রপত্রিকার ব্যাপক লেখালেখির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন বাঁধ উচ্ছেদ হওয়ায় স্থানীয় কয়েক শত মৎস্যজীবী পরিবারজন্য মাছ শিকারের উন্মুক্ত করা হলো ।
বাঁধটি ভেঙে দেওয়ায় পদ্মা আবার মুক্ত হয়েছে এবং সাধারণ জেলেরা তাদের জীবন-জীবিকা ফিরে পেয়েছেন। দ্রুত প্রশাসনকে মাঠে নামাতে অগ্রণী ভূমিকা রাখায় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com