শিরোনাম >>
শিরোনাম >>
Advertise with us

ঋণ নিয়া গড়া বাগান এক রাতেই শেষ, গুইমারায় কৃষকের আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, গুইমারা, খাগড়াছড়ি:   |   বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ৪৮ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ঋণ নিয়া গড়া বাগান এক রাতেই শেষ, গুইমারায় কৃষকের আড়াই লক্ষ টাকার ক্ষতি
৬৩

খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলার হাফছড়ি এলাকায় জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাতের আঁধারে আম- পেয়ারা- কলা ও মরিচ গাছের প্রায় ৬০০টি গাছের চারা কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী কৃষক।

ভুক্তভোগী মো. মকিম জানান, গত ১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাতে প্রায় ১ একর জমিতে রোপণ করা বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ৬০০টি চারা গাছ কেটে ফেলে। এ ঘটনায় তিনি স্থানীয় বনি আমিন ও চাইহলাও মারমাকে দায়ী করে অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল এবং সেই বিরোধের জের ধরেই এ নাশকতামূলক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তারা বিগত ২০২৫ ইং সনেও তারা উক্ত ভূমি থেকে প্রায় ৫০০টি আম গাছ কেটে ফেলেন যার মামলা এখনো খাগড়াছড়ি কোর্টে চলমান রয়েছে। এছাড়াও আরো কয়েকবার তারা উক্ত ভূমিতে রোপনকৃত চারা কেটে ফেলেন। এনিয়ে সামাজিক বিচারও তারা মানেন না।
তিনি আরও জানান, ব্যাংক ও বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিয়ে তিনি বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু রাতারাতি শ্রম ও বিনিয়োগের ফল ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় তিনি চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে তার প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। পূর্বেও স্থানীয় বনি আমিন তার এমন ক্ষতি করায়
ভুক্তভোগী এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা এবং তার ক্ষয়ক্ষতির যথাযথ প্রতিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় বিরাজমান উত্তেজনা প্রশমিত হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে।

Facebook Comments Box
Advertise with us

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Advertise with us
আরও
Advertise with us

ফলো করুন bangladoinik.com-এর খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক
ফখরুল ইসলাম
সহসম্পাদক
মো: মাজহারুল ইসলাম
Address

জে এস ফুজিয়ামা ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিষ্ঠান। ভ্রাতৃপ্রতিম নিউজ - newss24.com